১১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে সরকার

 

ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার অডিও বা বক্তব্য কোনো গণমাধ্যমে সম্প্রচার ও প্রচার করা হলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুক্রবার (২২ আগস্ট) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পক্ষ থেকে সতর্ক করে এমন বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।

 

সতর্কবার্তায় সংবাদমাধ্যমগুলোকে শেখ হাসিনার অডিও বা বক্তব্য প্রচারে দায়িত্বশীলতা অবলম্বন করতে আহ্বান জানানো হয়। বলা হয়, শেখ হাসিনার যেকোনো মন্তব্য, বক্তব্য বা উসকানিমূলক প্রচার বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করবে। এ ক্ষেত্রে আইন অমান্যকারী যেকোনো গণমাধ্যম বাংলাদেশের আইনের অধীনে জবাবদিহির আওতায় আসবে।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও অনলাইন আউটলেটগুলোতে ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত এবং গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনার অডিও সম্প্রচার ও প্রচার ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। এছাড়া গত বছরের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাক্তন স্বৈরশাসকের ঘৃণামূলক বক্তব্য সম্প্রচার নিষিদ্ধ করেছিল।

 

প্রেস উইং জানায়, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ অনুযায়ী, যেকোনো ব্যক্তি বা সংগঠন যারা শেখ হাসিনার মতো অভিযুক্ত নেতাদের বক্তব্য প্রচার, প্রকাশ বা সম্প্রচার করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।

 

শেখ হাসিনার একটি অডিও বার্তা বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেটি কিছু গণমাধ্যম প্রকাশ করে। এর প্রেক্ষিতে সরকার বিবৃতিতে বলেছে, গত বৃহস্পতিবার কিছু গণমাধ্যম আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসকের একটি ভাষণ প্রচার করেছে, যেখানে তিনি মিথ্যা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। এ ধরনের অপরাধমূলক প্রচারকর্মে জড়িত গণমাধ্যমের কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বিবৃতিতে জানানো হয়— ভবিষ্যতে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার বা প্রকাশ করা হলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, জাতির ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার ঝুঁকি নেওয়া যাবে না। জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের সময় শত শত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীর গণহত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত শেখ হাসিনা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে এবং বর্তমানে তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচারাধীন। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও দেশে নিষিদ্ধ।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাকৃবির শহীদ শামসুল হক হলে বৃক্ষরোপণ

প্রবাসে মৃত্যুর ২৭ দিন পর তথ্য প্রতিমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় মরদেহ ফিরল দেশে

07 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে সরকার

পোষ্টের সময় : ০৭:৫৪:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

 

ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার অডিও বা বক্তব্য কোনো গণমাধ্যমে সম্প্রচার ও প্রচার করা হলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুক্রবার (২২ আগস্ট) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পক্ষ থেকে সতর্ক করে এমন বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।

 

সতর্কবার্তায় সংবাদমাধ্যমগুলোকে শেখ হাসিনার অডিও বা বক্তব্য প্রচারে দায়িত্বশীলতা অবলম্বন করতে আহ্বান জানানো হয়। বলা হয়, শেখ হাসিনার যেকোনো মন্তব্য, বক্তব্য বা উসকানিমূলক প্রচার বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করবে। এ ক্ষেত্রে আইন অমান্যকারী যেকোনো গণমাধ্যম বাংলাদেশের আইনের অধীনে জবাবদিহির আওতায় আসবে।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও অনলাইন আউটলেটগুলোতে ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত এবং গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনার অডিও সম্প্রচার ও প্রচার ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। এছাড়া গত বছরের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাক্তন স্বৈরশাসকের ঘৃণামূলক বক্তব্য সম্প্রচার নিষিদ্ধ করেছিল।

 

প্রেস উইং জানায়, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ অনুযায়ী, যেকোনো ব্যক্তি বা সংগঠন যারা শেখ হাসিনার মতো অভিযুক্ত নেতাদের বক্তব্য প্রচার, প্রকাশ বা সম্প্রচার করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।

 

শেখ হাসিনার একটি অডিও বার্তা বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেটি কিছু গণমাধ্যম প্রকাশ করে। এর প্রেক্ষিতে সরকার বিবৃতিতে বলেছে, গত বৃহস্পতিবার কিছু গণমাধ্যম আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসকের একটি ভাষণ প্রচার করেছে, যেখানে তিনি মিথ্যা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। এ ধরনের অপরাধমূলক প্রচারকর্মে জড়িত গণমাধ্যমের কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বিবৃতিতে জানানো হয়— ভবিষ্যতে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার বা প্রকাশ করা হলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, জাতির ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার ঝুঁকি নেওয়া যাবে না। জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের সময় শত শত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীর গণহত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত শেখ হাসিনা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে এবং বর্তমানে তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচারাধীন। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও দেশে নিষিদ্ধ।

 

Share this news as a Photo Card