শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) সংসদীয় আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন বইছে নির্বাচনী হাওয়া। গত ৪ ফেব্রুয়ারি জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও জোটের মনোনীত প্রার্থী নূরজ্জামান বাদলের আকস্মিক প্রয়াণে এই আসনে সাধারণ নির্বাচন মুলতবি ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে স্থানীয় রাজনীতিতে জোর আলোচনা চলছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের পরপরই শূন্য হওয়া এই আসনে ভোটযুদ্ধ শুরু হতে পারে।
এই মুহূর্তে রাজনৈতিক মহলের সবচেয়ে বড় কৌতূহল জোটের প্রার্থী নিয়ে। দলীয় সূত্র ও স্থানীয়দের ধারণা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক অথবা জুলাই বিপ্লবের পরিচিত মুখ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হতে পারেন জোটের তুরুপের তাস।
উল্লেখ্য যে, এই আসনে বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ও তিনবারের সাবেক সাংসদ মাহমুদুল হক রুবেল একজন শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রুবেলের রাজনৈতিক ভিত্তি নড়বড়ে করতে জোট এবার কোনো আপস করতে রাজি নয়। তাই তারা একজন ‘হেভিওয়েট’ বা ওজনদার প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেওয়ার কথা ভাবছে।
বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসা কেন্দ্রিক বৃহৎ একটি ভোটার গোষ্ঠী মাওলানা মামুনুল হকের অনুসারী হিসেবে তাকেই জনপ্রতিনিধি হিসেবে পেতে উন্মুখ। অন্যদিকে, জুলাই আন্দোলনের লড়াকু সৈনিক হিসেবে তরুণ প্রজন্মের কাছে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ও ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তবে ১১ দলীয় জোটের নীতিনির্ধারকরা জামায়াতের কোনো স্থানীয় নেতৃত্বকে প্রাধান্য দেবেন, নাকি জাতীয় পর্যায়ের এই দুই নেতার কাউকে বেছে নেবেন—তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
স্টাফ রিপোর্টার 




















