১২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মোহনগঞ্জে ছাত্রদল নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

 

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছে জেলা ছাত্রদল।

 

জানা গেছে, মোহনগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সাখাওয়াত হোসেন রেনুর বিরুদ্ধে সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে এই নোটিশ জারি করা হয়।

 

নেত্রকোণা জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম খান পাঠান (প্রান্ত) স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অনিক মাহবুব চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক শামছুল হুদা শামীমের নিকট স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।

 

এদিকে, উপজেলা সমাজসহিলদেও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিদ হাসান মুন্না অভিযোগ করে বলেন, ‘ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির উদ্যোগে র‌্যালি ও আলোচনা সভায় অংশ নেওয়ার আগে সাখাওয়াত হোসেন রেনু আমাকে ডেকে একক কর্মসূচি করার প্রস্তাব দেন। আমি তাতে অসম্মতি জানালে তিনি কর্মসূচি শেষে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।’

 

তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে রেনু ও তার সহযোগীরা আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। টেনে-হিঁচড়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে কানে আঘাত করে, এতে আমার কানের পর্দা ফেটে গেছে। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি করেন।

 

বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকরা অনুসন্ধান শুরু করলে মোহনগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্নায়েন বলেন, রেলওয়ে স্টেশনে নিজেদের মধ্যে কিছুটা ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। সন্ধ্যায় বসে মীমাংসা করার কথা ছিল। তবে ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট দিয়ে বিষয়টি অযথা বড় করা হচ্ছে।

 

অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা সাখাওয়াত হোসেন রেনু বলেন, মুন্না নামে এক ছাত্রদল নেতার সঙ্গে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি। উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্নায়েন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম এরশাদুর রহমানসহ সিনিয়র নেতারা বসে বিষয়টি সমাধান করেছেন। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক। শোকজের বিষয়ে জেনেছি, যথাসময়ে লিখিত জবাব দেওয়া হবে।

 

এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক জামিউল ইসলাম রাকিবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

হাম নিয়ন্ত্রণে আসতে দুই-তিন মাস লাগবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

19 August 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মোহনগঞ্জে ছাত্রদল নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

পোষ্টের সময় : ০৪:২৫:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

 

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছে জেলা ছাত্রদল।

 

জানা গেছে, মোহনগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সাখাওয়াত হোসেন রেনুর বিরুদ্ধে সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে এই নোটিশ জারি করা হয়।

 

নেত্রকোণা জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম খান পাঠান (প্রান্ত) স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অনিক মাহবুব চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক শামছুল হুদা শামীমের নিকট স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।

 

এদিকে, উপজেলা সমাজসহিলদেও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিদ হাসান মুন্না অভিযোগ করে বলেন, ‘ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির উদ্যোগে র‌্যালি ও আলোচনা সভায় অংশ নেওয়ার আগে সাখাওয়াত হোসেন রেনু আমাকে ডেকে একক কর্মসূচি করার প্রস্তাব দেন। আমি তাতে অসম্মতি জানালে তিনি কর্মসূচি শেষে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।’

 

তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে রেনু ও তার সহযোগীরা আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। টেনে-হিঁচড়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে কানে আঘাত করে, এতে আমার কানের পর্দা ফেটে গেছে। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি করেন।

 

বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকরা অনুসন্ধান শুরু করলে মোহনগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্নায়েন বলেন, রেলওয়ে স্টেশনে নিজেদের মধ্যে কিছুটা ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। সন্ধ্যায় বসে মীমাংসা করার কথা ছিল। তবে ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট দিয়ে বিষয়টি অযথা বড় করা হচ্ছে।

 

অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা সাখাওয়াত হোসেন রেনু বলেন, মুন্না নামে এক ছাত্রদল নেতার সঙ্গে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি। উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্নায়েন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম এরশাদুর রহমানসহ সিনিয়র নেতারা বসে বিষয়টি সমাধান করেছেন। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক। শোকজের বিষয়ে জেনেছি, যথাসময়ে লিখিত জবাব দেওয়া হবে।

 

এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক জামিউল ইসলাম রাকিবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

Share this news as a Photo Card