জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাধারণ মানুষের কাছে মামলাবাজীতে আতঙ্কের নাম লিয়াকত ওরফে কাইলা লিয়াকত।
সে উপজেলার নামা তারতাপাড়া মুন্সী বাড়ী আব্দুল হাইয়ের ছেলে ও সাবেক উপজেলা যুবলীগের সহ সম্পাদক। বর্তমান উপজেলা কৃষক লীগের সদস্য।
জানাযায় – লিয়াকত আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে জোনাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে লাইব্রেরিয়ানের চাকরি নেওয়াসহ নিজের বউ, ভাই বউ, শালাসহ আরও অনেককেই চাকরি নিয়ে দিয়েছেন ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে। অভিযোগ রয়েছে অবৈধভাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্য চক্রের সদস্য হয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। যা বিভিন্ন সমিতিতে আমানত হিসাবে রাখা হয়েছে। এছাড়াও শ্বশুরবাড়ীতেও সম্পদ গড়েন তিনি। এসব টাকার অহংকারে আওয়ামী লীগের ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে সাধারণ মানুষের জমি দখলসহ বিভিন্ন অপকর্মেের বাধা দিতে গেলে মামলা দিয়ে নির্যাতন করা হয়।
লিয়াকতের চাচা মিজান মুন্সী জানান, আমাকে মেরে দুই হাত ভেঙে দিছে এবং অনেকগুলো মামলা দিছে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না কেউ।
ভুক্তভোগী স্থানীয় হানিফ মাষ্টার জানান, লিয়াকত মুলত আ.লীগের দাপুটে অনেক হয়রানি করছে সাধারণ মানুষকে আমাকেও মামলা দিয়ে অনেক হয়রানি করতেছে। এ ধরনের খারাপ লোকের এখনো বিচার হয় না ভাবতে কষ্ট লাগে।
এছাড়াও আফছার, মোস্তফা, আতাউর মুন্সি লিয়াকতের আক্রোশের শিকার হয়েছেন।
এ বিষয়ে লিয়াকতের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।





















