সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়া উপজেলার ফুলজোড় নদী থেকে বুধবার সকালে পৃথক স্থানে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে, তিনি রায়গঞ্জ উপজেলার চর ফরিদপুর গ্রামের গরু ব্যবসায়ী আব্দুল লতিফ (৪৫)। অপরজনের নাম-পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল লতিফ দীর্ঘদিন ধরে গবাদিপশুর ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রোববার (৯ নভেম্বর) রাতে তিনি নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজ করেন, কিন্তু কোনো খোঁজ পাননি। বুধবার সকালে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের ফুলজোড় নদীতে লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে।
সলঙ্গা থানা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনোজিৎ কুমার নন্দী ঢাকা পোস্টকে জানান, প্রাথমিক তদন্তে এখনও কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি। তথ্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ শহীদ এম. মুনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
অপরদিকে একইদিন সকালে উল্লাপাড়া উপজেলার চকিদহ ব্রিজের নিচে ফুলজোড় নদী থেকে আরও একজন অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা সকাল ১০টার দিকে নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখেন এবং থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আনুমানিক ৩৬ বছর বয়সী ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করে। তার পরনে ছিল নীল লুঙ্গি ও কমলা রঙের জ্যাকেট।
উল্লাপাড়া থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুজ্জামান জানান, যুবকের নাম-পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। মরদেহ থানায় আনার পর ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পেছনে রহস্য নির্ণয়ের জন্য তদন্ত তৎপর চলছে। কর্তৃপক্ষ আশা করছে দ্রুত হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটন করা সম্ভব হবে।
স্টাফ রিপোর্টার 




















