১১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সোমেশ্বরীর বুকে ধানের আবাদ

দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীতে আবাদ করা পাকা ধান ঘরে নিচ্ছেন কৃষক। ছবি- ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস।

গারো পাহাড়ের কুলঘেষে ভারত থেকে বাংলাদেশের নেমে আসা সোমেশ্বরী নদীর জল টলমল। নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার মধ্য দিয়ে কুলকুল রবে প্রবাহিত কাকচক্ষু জলের সোমেশ্বরী। কালের পালাবদলে এই নদীতে জেগে ওঠা চরে বোরো ধান চাষ করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। ফলনও হয়েছে বেশ ভালো। খরচ মিটিয়েও কাটা প্রতি দুই গুনের বেশি লাভ হয় তাদের।
সরেজমিনে গেলে দেখা মেলে এমন চিত্রের। সোমেশ্বরী নদীর তীরবর্তী গ্রাম ঘোওড়াখালী। সেখানকার বাসিন্দা আমজাদ আলী। গত তিন বছর ধরে এই নদীর চরে ধান আবাদ করে আসছেন। তিনি দুই কাটায় তিন হাজার টাকা খরচ করেছেন তাতে খরচ মিটিয়েও সাত হাজার টাকা লাভবান হবেন এমনটাই বলছেন।
তিনি বলেন, এই নদীর জায়গা গুলো মালিকানা ছিল কিন্তু নদী হয়ে যায়। আমরাও এতোদিন কিছু চাষাবাদ করতে পারিনা কারণ বালু ছিল। এখন বালু সড়ে মাটি এসেছে তাই ধান লাগাতে পারছি।
আরেক কৃষক রহমত আলী জানান, তিনি ধান কাটা শুরু করেছেন। তার ২ কাটায় ১০ মন ধান হবে তাতে বাজার বিক্রি করবেন ১০ হাজার টাকা। খরচ মিটিয়েও লাভ থাকবে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার নিপা বিশ্বাস বলেন, নদীর তীরবর্তী বাসিন্দারা ধান চাষাবাদ করে বাড়তি উপার্জন করতে পারছেন। নদীতে পানি থাকায় এসব ধান চাষ করতে পানির জন্য বেগ পেতে হয় না। তাই খরচ কমে কৃষকেরাও লাভের মুখ দেখছেন।
শুকনো মৌসুমে সোমেশ্বরী নদীর দুই পাশে বড় বড় চর জেগে ওঠে। এ চরে শত-শত কৃষক ফসল চাষাবাদ করেন। গত কয়েক বছর ধরে শীতের সময় এলেই ফসলে ভরে যায় নদীর দুই দিকের চরগুলো।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

প্রয়োজনে বিমান টিকিট দেব, তবুও দেশে আসুন: হাসিনাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় হিফজ প্রতিযোগিতায় দেশসেরা দুই হাফেজ, নকলায় রাজকীয় সংবর্ধনা

06 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

সোমেশ্বরীর বুকে ধানের আবাদ

পোষ্টের সময় : ০৩:৩৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫

গারো পাহাড়ের কুলঘেষে ভারত থেকে বাংলাদেশের নেমে আসা সোমেশ্বরী নদীর জল টলমল। নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার মধ্য দিয়ে কুলকুল রবে প্রবাহিত কাকচক্ষু জলের সোমেশ্বরী। কালের পালাবদলে এই নদীতে জেগে ওঠা চরে বোরো ধান চাষ করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। ফলনও হয়েছে বেশ ভালো। খরচ মিটিয়েও কাটা প্রতি দুই গুনের বেশি লাভ হয় তাদের।
সরেজমিনে গেলে দেখা মেলে এমন চিত্রের। সোমেশ্বরী নদীর তীরবর্তী গ্রাম ঘোওড়াখালী। সেখানকার বাসিন্দা আমজাদ আলী। গত তিন বছর ধরে এই নদীর চরে ধান আবাদ করে আসছেন। তিনি দুই কাটায় তিন হাজার টাকা খরচ করেছেন তাতে খরচ মিটিয়েও সাত হাজার টাকা লাভবান হবেন এমনটাই বলছেন।
তিনি বলেন, এই নদীর জায়গা গুলো মালিকানা ছিল কিন্তু নদী হয়ে যায়। আমরাও এতোদিন কিছু চাষাবাদ করতে পারিনা কারণ বালু ছিল। এখন বালু সড়ে মাটি এসেছে তাই ধান লাগাতে পারছি।
আরেক কৃষক রহমত আলী জানান, তিনি ধান কাটা শুরু করেছেন। তার ২ কাটায় ১০ মন ধান হবে তাতে বাজার বিক্রি করবেন ১০ হাজার টাকা। খরচ মিটিয়েও লাভ থাকবে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার নিপা বিশ্বাস বলেন, নদীর তীরবর্তী বাসিন্দারা ধান চাষাবাদ করে বাড়তি উপার্জন করতে পারছেন। নদীতে পানি থাকায় এসব ধান চাষ করতে পানির জন্য বেগ পেতে হয় না। তাই খরচ কমে কৃষকেরাও লাভের মুখ দেখছেন।
শুকনো মৌসুমে সোমেশ্বরী নদীর দুই পাশে বড় বড় চর জেগে ওঠে। এ চরে শত-শত কৃষক ফসল চাষাবাদ করেন। গত কয়েক বছর ধরে শীতের সময় এলেই ফসলে ভরে যায় নদীর দুই দিকের চরগুলো।

Share this news as a Photo Card