আগামী বছরের হজযাত্রীর জন্য সরকারি হজ প্যাকেজ এখনো ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। এর মূল কারণ হলো বিমান ভাড়া নিয়ে সরকারের এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার মধ্যে সমঝোতা না হওয়া। বিমান ভাড়া ৮০০–১,০০০ ডলার রাখার সরকারি প্রস্তাব থাকলেও বিমান কর্তৃপক্ষ ১,৩০০ ডলার দাবি করছে। এ নিয়ে এখনও দরকষাকষি চলছে। দু’পক্ষের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা না হলে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ আশা করা হচ্ছে।
সৌদি আরবের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী হজের জন্য নিবন্ধনের সময় মাত্র এক মাসেরও কম বাকি। সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমে প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হয়েছিল ২৭ জুলাই থেকে, তবে এ পর্যন্ত মাত্র এক হাজারের কিছু বেশি হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৪১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৪০ জন নিবন্ধন করেছেন। হজ প্যাকেজ ঘোষণা না হওয়ায় নিবন্ধনে আগ্রহ কমে গেছে।
আগামী বছরের হজের জন্য প্রাথমিক নিবন্ধনে চার লাখ টাকা জমা দিতে হবে। হজ প্যাকেজ ঘোষণা হলে বাকি টাকা জমা দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে মে মাসের শেষ সপ্তাহে হজ অনুষ্ঠিত হবে। আগামী বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ পালন করবেন।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, হজযাত্রীদের সুবিধার্থে বিমান ভাড়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দ্রুত নেওয়া জরুরি। প্যাকেজ ঘোষণার বিলম্ব হজযাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। নিবন্ধন প্রক্রিয়া আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে, এরপর আর বাড়ানো হবে না।
এ পরিস্থিতিতে যারা হজে যেতে ইচ্ছুক, তাদের দ্রুত প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা নিকটস্থ হজ এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার 





















