সৌদি আরবের জিজান অঞ্চলে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর একটি শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী। সৌদি কর্তৃপক্ষ ওই স্থাপনায় আগুন লাগার ঘটনা নিশ্চিত করলেও এটি ড্রোন হামলার কারণে হয়েছে কি না, তা জানায়নি।
রোববার (৯ আগস্ট) এক বিবৃতিতে ইয়েমেনের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি বলেন, একটি ড্রোন দিয়ে জিজানের শোধনাগারটি ‘নির্ভুলভাবে’ লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
ইয়াহিয়া সারি দাবি করেন, ইয়েমেনের আকাশসীমায় সৌদি আরবের ড্রোন অনুপ্রবেশের জবাবেই এই হামলা চালানো হয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে উত্তর ইয়েমেনের সাদা ও হাজ্জাহ প্রদেশের আকাশসীমায় সৌদি আরব গোয়েন্দা ও নজরদারি ড্রোন উড়িয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ইয়েমেনি সামরিক বাহিনীর মতে, সৌদি আরবের এসব ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের’ প্রতিক্রিয়া হিসেবেই আরামকোর স্থাপনাটিকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছে।
অন্যদিকে, সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার ভোরে জিজানে সৌদি আরামকোর একটি স্থাপনায় আগুন লাগে। পরে আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ আগুন লাগার কারণ বা এর সঙ্গে কোনো হামলার সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
হামলায় শোধনাগারটির কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। এছাড়া এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি।
ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী হামলার দায় স্বীকার করলেও সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে হামলার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি এবং ঘটনার বিস্তারিত পরিস্থিতি এখনও স্পষ্ট নয়।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 





















