নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৩৫৯ জনে। সীমান্তের ওপারে তিব্বতে আরও তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ফলে দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ৩৬২ জনে দাঁড়াতে পারে। এখনো প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের পর্যটকও রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে নেপাল পুলিশ মৃতের এ সংখ্যা জানিয়েছে। নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ৮২৩ জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। নিখোঁজদের মধ্যে ছিলেন ৫৭৯ জন নেপালি ও বিদেশি পর্যটক।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) প্রাথমিক বিশ্লেষণে জানা গেছে, ভূমিকম্প নয়, একটি হিমবাহ ধসে এই বিপর্যয়ের সূত্রপাত হয়। পরে বিপুল পরিমাণ কাদা, পাথর ও পানির স্রোত নেমে এসে নেপাল ও তিব্বতের বিস্তীর্ণ এলাকায় ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।
নেপালের পর্যটন বোর্ড জানিয়েছে, দুই ডজনের বেশি দেশের পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন। এর মধ্যে ভারতের ১৭৭ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ৬৩ জন, অস্ট্রেলিয়ার ৩৪ জন, যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন এবং কানাডার ২৫ জন রয়েছেন। এছাড়া মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা ও দক্ষিণ কোরিয়ার পর্যটকরাও নিখোঁজদের তালিকায় রয়েছেন।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজদের মধ্যে প্রায় ১০০ জন চীনা নাগরিক ছিলেন। পরে নেপালে প্রায় ১০০ ভারতীয় পর্যটক ও ২৫ জন চীনা শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে তিব্বতে শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে নিখোঁজ ৫৫৮ জনের মধ্যে ২৬০ জন বিদেশি।
সূত্র: এএফপি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
























