বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও বেড়েছে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০.৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রণীত BPM-6 হিসাবপদ্ধতিতে এ অঙ্ক দাঁড়ায় ২৫.৯৮ বিলিয়ন ডলার।
গত রোববার এ পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৩০.৫৯ বিলিয়ন এবং ২৫.৭৫ বিলিয়ন ডলার। কিছু দিন আগে রিজার্ভ নেমে গিয়েছিল ৩০.৩০ বিলিয়ন ডলারে।
রিজার্ভ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হলো প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) ধারাবাহিক প্রবাহ এবং রপ্তানি আয়ের বৃদ্ধি। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা বেড়েছে, ফলে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্বস্তি ফিরেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক দীর্ঘদিন ডলার বিক্রি না করে বরং বাজার থেকে ডলার কিনেছে।
চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে প্রবাসী আয় আসে প্রায় ২৪৭.৭৯ কোটি ডলার (প্রায় ৩০,২৩৯ কোটি টাকা) এবং আগস্টে আসে প্রায় ২৪২.২০ কোটি ডলার (প্রায় ২৯,৫৪৮ কোটি টাকা)। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল মার্চে, প্রায় ৩২৯ কোটি ডলার। পুরো অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৬.৮ শতাংশ বেশি।
অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রিজার্ভ এখন বিশ্বমানের শর্ত অনুযায়ী তিন মাসের আমদানি ব্যয় নির্বাহের মতো অবস্থায় রয়েছে। তবে প্রকৃত নিট রিজার্ভ কত, সে তথ্য আইএমএফকে জানানো হলেও জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয় না।
স্টাফ রিপোর্টার 





















