চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ, যা গত ২০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়েছেন ৫ লাখ ৮ হাজার ৭০১ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৪১.১৭ শতাংশ। তবে এমন নেমে যাওয়া পাসের হার সত্ত্বেও খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন আগের বছরের তুলনায় কম হয়েছে।
এ বছর মোট ২ লাখ ২৬ হাজার ৫৬১ পরীক্ষার্থী খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন করেছেন। মোট আবেদন করা হয়েছে ৪ লাখ ২৮ হাজার ৪৫৮টি খাতা। বিষয়ভিত্তিকভাবে ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জ হয়েছে। ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৭৭.৭৮ শতাংশ এবং সেই বছরে খাতা চ্যালেঞ্জের জন্য আবেদন করেছিলেন ১ লাখ ৯২ হাজার ৪৮০ শিক্ষার্থী, মোট ৫ লাখ ১ হাজার ২৯৪টি খাতা।
বোর্ডভিত্তিকভাবে দেখা যায়, ঢাকা বোর্ডে সর্বাধিক আবেদন হয়েছে—৬৬ হাজার ১৫০ পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫০৬টি খাতা চ্যালেঞ্জ করেছেন। বরিশাল বোর্ডে সবচেয়ে কম, ৮ হাজার ১১২ পরীক্ষার্থী মোট ১৭ হাজার ৪৮৯টি খাতা চ্যালেঞ্জ করেছেন। কুমিল্লা বোর্ডে আবেদন করেছেন ২২ হাজার ১৫০ জন, রাজশাহী বোর্ডে ২০ হাজার ৯২৪ জন, যশোর বোর্ডে ২০ হাজার ৩৯৫ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ২২ হাজার ৫৯৫ জন, সিলেট বোর্ডে ১৩ হাজার ৪৪ জন এবং দিনাজপুর বোর্ডে ১৭ হাজার ৩১৮ জন। ময়মনসিংহ বোর্ডে ১৫ হাজার ৫৯৮ জন পরীক্ষার্থী খাতা চ্যালেঞ্জ করেছেন।
বিএম-ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীরা ১২ হাজার ৭ জন, আলিম পরীক্ষার্থীরা ৭ হাজার ৯১৬ জন চ্যালেঞ্জ করেছেন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে কোনো আবেদন নেই।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ২০২৪ সালের পরীক্ষার সময় ৭টি বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কারণে পরীক্ষা স্থগিত হয়েছিল। সেই কারণে গত বছর খাতা চ্যালেঞ্জের সংখ্যা বেশি ছিল। এ বছর সব বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় খাতা চ্যালেঞ্জের সংখ্যা স্বাভাবিকভাবে কমেছে, যদিও পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার 



















