১২:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের জিডিপি বাড়ছে ৪.৮ শতাংশ

 

বিশ্বব্যাংক ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৮ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেটে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সংস্থার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অর্থনীতিতে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও সামগ্রিক পরিস্থিতি ইতিবাচক।

 

বিশ্বব্যাংক উল্লেখ করেছে, বছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে ব্যাহত হলেও পরবর্তী প্রান্তিকে অর্থনীতি পুনরায় গতিশীল হয়েছে। বিশেষ করে বহিরাগত খাতের চাপ হ্রাস, রিজার্ভ স্থিতিশীলতা এবং মুদ্রাস্ফীতি কমার ফলে অর্থনীতিতে স্বস্তি এসেছে।

 

তবে সংস্থাটি সতর্ক করেছে, মূল্যস্ফীতি এখনও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। বেসরকারি বিনিয়োগের প্রবৃদ্ধি ধীর, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অগ্রগতি সীমিত এবং উচ্চ অনাদায়ী ঋণের কারণে ব্যাংকিং খাত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। এছাড়া দুর্বল রাজস্ব আদায়ও অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে বাধা সৃষ্টি করছে।

 

বিশ্বব্যাংক আশা করছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় বিনিয়োগের উন্নতি হবে, যদিও তা ধীরগতিতে থাকতে পারে। তবে রাজস্ব বৃদ্ধির কারণে ঘাটতি জিডিপির ৫ শতাংশের নিচে থাকবে, যা অর্থনীতির স্থিতিশীলতায় সহায়ক হবে।

 

সংস্থাটি বিনিয়োগ, রপ্তানি ও অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রগতির সম্ভাবনাকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছে। তবে সরকারের উচিত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকি হ্রাস এবং বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা।

 

সর্বমোট, বাংলাদেশের অর্থনীতি মৃদু চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার করছে এবং আগামী অর্থবছরে ৪.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের আশা দেখা যাচ্ছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

কেন্দুয়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর শুভ উদ্বোধন

ইউক্রেনের স্কুলভবনে রুশ বোমা হামলায় নিহত ৩৩, নিখোঁজ ৫০

04 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

দেশের জিডিপি বাড়ছে ৪.৮ শতাংশ

পোষ্টের সময় : ০২:০৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

 

বিশ্বব্যাংক ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৮ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেটে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সংস্থার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অর্থনীতিতে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও সামগ্রিক পরিস্থিতি ইতিবাচক।

 

বিশ্বব্যাংক উল্লেখ করেছে, বছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে ব্যাহত হলেও পরবর্তী প্রান্তিকে অর্থনীতি পুনরায় গতিশীল হয়েছে। বিশেষ করে বহিরাগত খাতের চাপ হ্রাস, রিজার্ভ স্থিতিশীলতা এবং মুদ্রাস্ফীতি কমার ফলে অর্থনীতিতে স্বস্তি এসেছে।

 

তবে সংস্থাটি সতর্ক করেছে, মূল্যস্ফীতি এখনও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। বেসরকারি বিনিয়োগের প্রবৃদ্ধি ধীর, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অগ্রগতি সীমিত এবং উচ্চ অনাদায়ী ঋণের কারণে ব্যাংকিং খাত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। এছাড়া দুর্বল রাজস্ব আদায়ও অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে বাধা সৃষ্টি করছে।

 

বিশ্বব্যাংক আশা করছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় বিনিয়োগের উন্নতি হবে, যদিও তা ধীরগতিতে থাকতে পারে। তবে রাজস্ব বৃদ্ধির কারণে ঘাটতি জিডিপির ৫ শতাংশের নিচে থাকবে, যা অর্থনীতির স্থিতিশীলতায় সহায়ক হবে।

 

সংস্থাটি বিনিয়োগ, রপ্তানি ও অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রগতির সম্ভাবনাকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছে। তবে সরকারের উচিত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকি হ্রাস এবং বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা।

 

সর্বমোট, বাংলাদেশের অর্থনীতি মৃদু চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার করছে এবং আগামী অর্থবছরে ৪.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের আশা দেখা যাচ্ছে।

 

Share this news as a Photo Card