নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের বীরমুহুরী গ্রামে অতি দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। ৭০ বছর বয়সী হালিমা খাতুন নামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক বৃদ্ধা নারীর মৃতদেহ শুক্রবার সকালে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা জানান, হালিমা খাতুন ভিক্ষা ও সহায়তার মাধ্যমে জীবনযাপন করতেন। তিনি সম্প্রতি বীরমুহুরী বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে এক পাশের গর্তে পড়ে পানিতে ডুবে মারা যান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় ও কেন্দুয়া থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃতদেহ উদ্ধার করার পর হালিমা খাতুনকে নিয়ে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি এক ছেলের স্ত্রী হিসেবে পরিবারের দায়িত্ব পালন করতেন। নিহতের স্বামী আগে মারা গেছেন। পরিবার থেকে এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ না থাকায় পুলিশও প্রাথমিকভাবে এটি একটি অপমৃত্যু হিসেবে বিবেচনা করছে।
কেন্দুয়া থানার ওসি মিহির রঞ্জন দেব জানান, মৃতদেহ উদ্ধার ও প্রাথমিক তদন্তের পর অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হবে। তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের ঘটনা আমাদের জন্য দুঃখজনক। আমরা চেষ্টা করছি যাতে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়িয়ে যাওয়া যায়।” স্থানীয়রা জানান, হালিমা খাতুন গ্রামের সবার কাছে পরিচিত এবং দারিদ্র্যসীমায় জীবনযাপন করতেন।
এ ঘটনাটি গ্রামবাসীর মধ্যে গভীর শোক সৃষ্টি করেছে। বৃদ্ধার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বের করতে পুলিশ আরও তদন্ত চালাচ্ছে। তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ফলাফলের ভিত্তিতে মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রশাসন ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা রোধে সতর্ক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তারা বৃদ্ধা হালিমা খাতুনের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
স্টাফ রিপোর্টার 






















