ময়মনসিংহের ভালুকায় গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম নেতা আবুল কালাম আজাদ (৭৫) কে গ্রেফতার করেছে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে ভালুকা থানা প্রাঙ্গণ থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আবুল কালাম আজাদ উপজেলার বাশিল গ্রামের মৃত মৌলভী হাবিবুল্লাহ মাস্টারের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিএনপি অফিস ভাংচুর মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
থানা সূত্রে জানা যায়, আবুল কালাম আজাদ ব্যক্তিগত পিস্তলের স্থগিত লাইসেন্স নবায়নের জন্য বৃহস্পতিবার দুপুরে ভালুকা থানায় আসেন। ওই সময় স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের কয়েকজন নেতা থানায় উপস্থিত হয়ে তাকে চিনে সনাক্ত করেন এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করেন। পরে ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবীরের নির্দেশে পুলিশ তাকে আটক করে।
ভালুকা উপজেলা জামায়াতের আমীর সাইফুল্লাহ পাঠান ফজলু বলেন, “আমাদের নেতারা ছিল নির্দোষ, অথচ তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও সাজানো ট্রাইব্যুনাল গঠন করে শহীদ করা হয়েছে। এখন তাদের বিরোধী এই দোসরকে গ্রেফতার করায় আমরা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।”
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি হুমায়ুন কবির বলেন, জামায়াত-শিবির নেতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আবুল কালাম আজাদকে আটক করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপি অফিস ভাংচুর মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, আবুল কালাম আজাদ ছিলেন ২০১৩ সালের শাহবাগ আন্দোলনের সময় গঠিত গণজাগরণ মঞ্চের প্রথম সারির নেতা। সে সময় তিনি যুদ্ধাপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লা, মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোজাহিদ, বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ একাধিক নেতার বিরুদ্ধে শাহবাগের মঞ্চ থেকে জ্বালাময়ী বক্তব্য দেন।
স্টাফ রিপোর্টার 























