ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে মানবিক সহায়তা নিয়ে ফিলিস্তিনের গাজা অভিমুখী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র একটি নৌযান থেকে বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলমকে অপহরণ করার প্রতিবাদে ও তার মুক্তি চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ গণঅধিকার পারিষদ ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা শাখা।
আজ (৮ অক্টোবর) বুধবার রাত ৭ টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঈশ্বরগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। পৌর শহরের ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়ক ধরে উপজেলা পরিষদ প্রদক্ষিণ করে ঈশ্বরগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে মিছিলটি শেষ হয়।
এ সময় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা ‘মুক্তি মুক্তি চাই, শহিদুল আলমের মুক্তি চাই’; ‘ফ্রম দ্য রিভার টু দ্য সি, প্যালেস্টাইন উইল বি ফ্রি’; ‘ফিলিস্তিনে মানুষ মরে, জাতিসংঘ কী করে’; ‘স্বপ্ন দেখি প্রতিদিন, স্বাধীন হবে ফিলিস্তিন’ এবং ‘ফিলিস্তিনে গণহত্যা, বন্ধ কর করতে হবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
কেন্দ্রীয় গণঅধিকার পরিষদের নির্বাহী কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি আল-আমিন, জেলা যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. আমির খান,জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের অর্থ সম্পাদক আব্দুলাহ আল নূর তুষার,উপজলা শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. একরাম হোসেন,সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন প্রমুখ।
বিক্ষোভে অংশ নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপজেলা শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. একরাম হোসেন বলেন, ‘ফিলিস্তিনে কয়েক দশক ধরে বর্বর গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। গণহত্যা চালিয়েও তারা ক্ষান্ত হয়নি, তারা গাজায় সব ধরনের খাবার-ওষুধ বন্ধ করে দিয়েছে। এই অবরোধ ভাঙতে সারা পৃথিবীর মানবাধিকারকর্মীরা অর্ধশত নৌযান নিয়ে রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু একেক করে সবাইকে আটক করেছে ইসরায়েল। গাজাগামী সুমুদ ফ্লোটিলায় শহিদুল আলমের এই যাত্রা সারা বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে। আমরা জানলাম তাকে অপহরণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আমাদের পুরো জাতিকে অপমান করা হয়েছে। শহিদুল আলমকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানাই।’























