পুরোপুরি হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একাধিক শর্ত দিয়েছে ইরান। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে—
১. মার্কিন নৌ অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
২. ইরানের চারপাশ থেকে মার্কিন বাহিনী সরিয়ে নেওয়া
৩. যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দেওয়া
৪. বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের সম্পদ ছেড়ে দেওয়া
৫. ইরানের আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর হামলা ও ইরানকে হুমকি দেওয়া বন্ধ করা
শনিবার ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর এসব শর্তের কথা জানান।
ইরান-ওমানের মধ্যে শিপিং রুট নিয়ে সমঝোতা হলেও তেহরান মনে করছে, শুধু এই চুক্তির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল ফিরবে না। বরং যুদ্ধের আগের অবস্থায় প্রণালিটি ফিরিয়ে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছে ইরান।
ইরানের দাবিগুলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে ফেলতে পারে। তাকে হয় তেহরানের কিছু দাবিতে ছাড় দিতে হবে, নয়তো বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে অব্যাহত বিঘ্ন মেনে নিতে হবে।
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল সাধারণত হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে প্রণালিটি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা বাড়লে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও দামের ওপরও প্রভাব পড়তে পারে।
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের পররাষ্ট্র দফতরের সাবেক কর্মকর্তা ডেভিড শেঙ্কার মনে করেন, অর্থনৈতিক চাপ শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পকে সমঝোতার দিকে ঠেলে দিতে পারে। ট্রাম্প নিজেও এ সপ্তাহে স্বীকার করেছেন, জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটানোর সক্ষমতা ইরানের রয়েছে।
তবে হরমুজের ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া কিংবা জাহাজ চলাচলের জন্য তেহরানকে অর্থ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার যেকোনও ব্যবস্থার বিরোধিতা করেছে ওয়াশিংটন।
সূত্র: গালফ নিউজ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 





















