ডারউইন টেস্টের প্রথম দিনেই দুর্দান্ত বোলিং নৈপুণ্যে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলেছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংস থেমেছে ১৯৮ রানে। একাই ৬ উইকেট শিকার করেছেন এই ডানহাতি পেসার। তার সঙ্গে তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দুই ওপেনার জ্যাক ওয়েদারেল্ড ও ট্র্যাভিস হেড প্রথম ঘণ্টায় বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাট করেন। তবে দ্বাদশ ওভারে ওয়েদারেল্ডকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন হাসান। ৩৭ বলে ২৩ রান করে লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত হন তিনি। দুই ওভার পর হেডকেও বোল্ড করে ফেরান হাসান। ৩৯ বলে ২২ রান করেন এই ব্যাটার।
এরপর স্টিভেন স্মিথকে দ্রুত ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। এবাদতের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছিলেন স্মিথ, তবে তানজিদ হাসান তামিম তা তালুবন্দী করতে পারেননি। পরে কট বিহাইন্ডের আবেদনে রিভিউ নিলেও আল্ট্রা এজে বল ব্যাটে লাগার প্রমাণ মেলেনি।
প্রথম সেশনের শেষ দিকে ক্যামেরন গ্রিনকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে চতুর্থ সাফল্য এনে দেন তাসকিন আহমেদ। তার বলে ব্যাটের কানায় লেগে গ্রিনের ক্যাচ নেন মুশফিকুর রহিম। লাঞ্চে ৪ উইকেটে ৭৪ রান নিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
দ্বিতীয় সেশনে স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারি মিলে ৫৫ রানের জুটি গড়ে স্বাগতিকদের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। তবে বিরতির পর প্রথম বলেই ক্যারিকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন এবাদত। ১৯ রান করে ফেরেন ক্যারি।
এরপর বিউ ওয়েবস্টারকেও বোল্ড করেন তাসকিন। ১০ বলে ১২ রান করেন তিনি। ৩৯ ওভারে ১৫২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া।
শেষ দিকে আবারও জোড়া আঘাত হানেন হাসান। প্যাট কামিন্সকে লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত করার পর মিচেল স্টার্ককেও একইভাবে ফিরিয়ে নিজের পঞ্চম ও ষষ্ঠ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। চা-বিরতিতে ৮ উইকেটে ১৮৩ রান ছিল অস্ট্রেলিয়ার।
বিরতির পর দ্রুত শেষ দুই উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৭১ রান করেন স্টিভেন স্মিথ।
বাংলাদেশের হয়ে হাসান মাহমুদ ৬ উইকেট, তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেন গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন। অস্ট্রেলিয়াকে দুইশ রানের আগেই অলআউট করে প্রথম দিনেই ম্যাচে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে বাংলাদেশ।
স্পোর্টস ডেস্ক 

























