ফিলিস্তিনকে সমর্থন করা সমগ্র মানবজাতির, বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।
বুধবার (১২ আগস্ট) আঙ্কারার প্রেসিডেন্ট ভবনে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
এরদোয়ান বলেন, ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় তুরস্ক প্রতিটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে জোরালোভাবে কথা বলে যাবে। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখা শুধু মুসলিম বিশ্বের নয়, সমগ্র মানবজাতির দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তুর্কি প্রেসিডেন্ট অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে এবং ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অস্তিত্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এ পরিস্থিতি উপেক্ষা করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের দিকে এগিয়ে যেতে তুরস্ক কাজ করছে জানিয়ে এরদোয়ান বলেন, ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে এবং পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ও ভৌগোলিকভাবে অবিচ্ছিন্ন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে আঙ্কারার অবস্থান অটুট রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দখল, জোরপূর্বক উচ্ছেদ ও ভূমি দখলের নীতি ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। জাতিসংঘের তথ্যের বরাতে এরদোয়ান দাবি করেন, ২০২৬ সালেই দখলদারদের সহিংসতা, ধ্বংসযজ্ঞ ও উচ্ছেদের কারণে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং প্রায় ১০০ জন নিহত হয়েছেন।
এই পরিস্থিতিকে ‘পরিকল্পিত দখলদারিত্ব’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন সংঘাত ও বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে ফিলিস্তিন ইস্যুকে আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা সফল হবে না।
আল-আকসা মসজিদসহ পবিত্র স্থানগুলোর স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের যেকোনো উসকানিরও তীব্র বিরোধিতা করেন এরদোয়ান।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

























