নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক শাখার ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। এবারের নির্বাচনে ১ হাজার ৯৮৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচন ঘিরে ইতোমধ্যে উপজেলা সদর ও আশপাশের গ্রামগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। পোস্টার, ব্যানার ও প্যাস্টুনে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা। চা-ষ্টল থেকে শুরু করে স্থানীয় বাজার- সর্বত্রই এখন এই নির্বাচন নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রার্থীরা ভোটারদের মন জয় করতে বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ নির্বাচনে ১০টি পদের বিপরীতে লড়ছেন ২০ জন প্রার্থী। এরমধ্যে তিনটি পদে তিনজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
নেত্রকোনা জেলা মোটরযান শ্রমিক ইউনিয়ন সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে ২৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। পরবর্তীতে ৩ জন প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলে ৩টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থী বিজয়ী হন। বাকি ৭টি পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মো. তারা মিয়া (গরুর গাড়ি) ও মো. সামছু মিয়া (চাকা)। কার্যকরী সহসভাপতি পদে মো. ফরিদ আহম্মেদ (কাপ-প্লেইট) ও মো. আল আমীন (চশমা)। সহ-সভাপতি পদে মো. খলিলুর রহমান (ঘোড়া) ও মো. সাজু আহম্মেদ (আম)। সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন মো. জুয়েল বেগ (হাড়িকেন), মো. সাইফুল ইসলাম (ছাতা) ও মো. রাসেল (চেয়ার)। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মো. বাচ্চু মিয়া (ফুটবল), মো. এরশাদ মিয়া (মাছ) ও মো. কালন ভূঁইয়া (আনারস)। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. খাইরুল ইসলাম (মই) ও মো. নূরে আলম (নিশান)। দপ্তর সম্পাদক পদে মো. হান্নান তাং লালছু (দোয়েল পাখী), মো. আয়ুব আলী (তালা) ও মো. আইনাল (বাস)।
এ ছাড়া যুগ্ম সম্পাদক পদে মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রচার সম্পাদক পদে মো. মিলন আকন্দ এবং কোষাধ্যক্ষ পদে মো. জামাল মিয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
কলমাকান্দা বাজারের ভোটার শেখ শামীম বলেন, “আমাদের সঙ্গে সকল প্রার্থীই যোগাযোগ করছেন। আমরা যাকে মনে করি সংগঠন ভালোভাবে পরিচালনা করতে পারবেন, তাকেই ভোট দেব।”
এ বিষয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও নির্বাচন কমিশনার মো. বজলুর রহমান বলেন, “এ নির্বাচনে একজন প্রিজাইডিং অফিসার, চারজন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং নয়জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিতে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
























