আজবিশ্ব গোলকিপার দিবস। এই উপলক্ষে লিভারপুলের ৬ টি চ্যাম্পিয়নস লীগ জয়ী গোলকিপার দের চ্যাম্পিয়নস লীগ ফাইনালের কিছু আইকনিক মোমেন্টস নিয়ে লিখেছেন আরেফিন কবির।
১) 1977 – লিভারপুল ৩-১ বরুশিয়া মুনশেনগ্লাডবাখ
গোলকিপার: Ray Clemence
ফাইনালে রে ক্লেমেন্স দ্বিতীয়ার্ধে দুটি দুর্দান্ত সেভ দেয়, বিশেষ করে Uli Stielike এর একটি লো শট, যা ম্যাচের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট ছিলো। রে ক্লেমেন্স নিজেও বেশ কয়েকবার এটিকে তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা সেভ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
আর রে ক্লেমেন্সের এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স লিভারপুল কে প্রথম চ্যাম্পিয়নস লীগ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
২) 1978 – লিভারপুল ১-০ ক্লাব ব্রুজ
গোলকিপার: Ray Clemence
ফাইনালটি যদিও অপেক্ষাকৃত কম উত্তেজনাপূর্ণ ছিলো, তবে ক্লেমেন্স এর পারফরম্যান্স ছিলো চিরাচরিত। তার স্বভাবজাত গোলকিপিং লিভারপুল কে সেবার ফাইনালে ড্রাইভিং সিটে রাখার অন্যতম কারিগর ছিলো।
৩) 1981 – লিভারপুল ১-০ রিয়াল মাদ্রিদ
গোলকিপার: Ray Clemence
ম্যাচ টি তে রে ক্লেমেন্স তার দ্বায়িত্ব যথাযথ ভাবেই পালন করেছিলেন। রিয়াল মাদ্রিদ কে একদমই সুযোগ দেননি বল জালে জড়ানোর৷ যার ফলে লিভারপুল পুনরায় আবার চ্যাম্পিয়নস লীগের শিরোপা ঘরে তুলে।
৪) 1984 – লিভারপুল ১-১ রোমা (পেনাল্টিতে ৪-২)
গোলকিপার: Bruce Grobbelaar
এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আইকনিক রাতগুলোর একটা।
পেনাল্টি শুটআউটে তিনি তার “spaghetti legs” টেকনিক ব্যবহার করেন। যাতে প্রতিপক্ষ বিভ্রান্ত হয়। আর যার ফলাফল লিভারপুলের ৪র্থ চ্যাম্পিয়নস লীগ শিরোপা।
৫) ২০০৫ – লিভারপুল ৩ – ৩ এসি মিলান ( পেনাল্টিতে ৩-২) গোলকিপার:- Jerzy Dudek
মিরাকল অফ ইস্তানবুল এর এই রাত লিভারপুল ফ্যান রা ভুলবে বা কী করে৷ এসি মিলানের সেই লিজেন্ডারি দল কে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তোলা।
আর সেই ফাইনলের অন্যতম কারিগর জার্জি দুদেক, ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে আন্দ্রে শেভচেঙ্কোর ২ টা নিশ্চিত গোল প্রায় শট ঠেকিয়ে লিভারপুল কে রীতিমতো খাদের কিনার থেকে তুলে আনেন।
যার কারনে প্রায় ২১ বছর পর লিভারপুল পুনরায় ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন হয়।
৬) 2019 – লিভারপুল ২-০ টটেনহ্যাম হটস্পার
গোলকিপার: Alisson Becker
এই ম্যাচে এলিসন ছিলেন একেবারে রক সলিড।
ম্যাচের সেকেন্ড হাফে, যখন লিভারপুল ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল, তখন টটেনহ্যাম একের পর এক আক্রমণ চালায়।
টটেনহামের সেকেন্ড হাফে বল পজিশন ছিলো প্রায় ৬০% এর মতো৷ এবং মোট শটস ছিলো ১৪ টি, যার মধ্যে অন টার্গেট ছিলো ৮ টি। যার ৮ টি ই অ্যালিসন সেভ দেয়। যা সেবার ফাইনাল জেতার অন্যতম বড় কারন গুলোর একটি৷



























