প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই দেশকে নবীর করিম (সা.) এর ন্যায়পরায়ণতার ভিত্তিতে পরিচালিত করতে দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। তিনি বলেছেন, ‘আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আমি এর চেয়ে বড় সাহসিকতার উচ্চারণ শুনিনি। আমাদের সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে দেশের উন্নয়নের প্রশ্নে সহযোগিতা করা। এই দেশ আমার আপনার। এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এই এলাকার উন্নয়নে আপনারা আমাকে সহযোগিতা করবেন।’
ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন আমি এখন তাঁর খুব কাছাকাছি থাকার সুযোগ পেয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ। আমি আপনাদের কল্যাণে এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এলাকার উন্নয়নে অবদান রাখতে চাই। এক্ষেত্রে আমার পথচলা সহজ করতে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।’ তিনি ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের তৃণমূলের উন্নয়নে সংসদে কথা বলার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ নগরীর গোহাইলকান্দি খানবাড়ি এলাকায় ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সন্ধানী বার্তা, কালের আলো.কম ও ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের ময়মনসিংহের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিল, দোয়া, আলোচনা সভা ও ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দৈনিক আজকের ময়মনসিংহের সম্পাদক ও প্রকাশক মো.শামসুল আলম খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ ক্লিনিক ডায়াগনোস্টিক এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মনসুর আলম চন্দন, ময়মনসিংহের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আব্দুল হাসিম, শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ, মতিউল আলম, আবু সালেহ মো.মূসা, আমান উল্লাহ আকন্দ জাহাঙ্গীর। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দৈনিক সন্ধানী বার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক এম.আব্দুল্লাহ আল মামুন খান।
ঈদকে ঘিরে ময়মনসিংহের যানজট নিরসনে নিজেই রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এই সহ-সম্পাদক সেই উদাহরণ টেনে বক্তব্যে বলেন, ‘গতকাল (১৭ মার্চ) আমি রাস্তায় গিয়েছিলাম। আমি আমার দলীয় নেতাকর্মীদের সুস্পষ্টভাবে বলেছি-চোর-বদমাইশ, গুন্ডামি ও অন্যায় কাজে এমপির সহযোগিতা পাওয়া যাবে না। আমি বিএনপিকে সঠিক জায়গায় নিয়ে আসতে চাই। যারা এই নীতিতে অটল থাকবে তাঁরা আমার সঙ্গে থাকতে পারবে।’
২০১৮ সালের নির্বাচনে শত বাধা বিপত্তির পরেও মাত্র তিন ঘণ্টার ভোটে ১ লক্ষ ৫৭ হাজার ভোট পেয়ে সারা দেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোটের রেকর্ড গড়েছিলাম উল্লেখ করে ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের এই সংসদ সদস্য এবারের নির্বাচনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিট সেইভাবে না থাকার বিষয়ে দু:খ প্রকাশ করেন। তিনি প্রশ্ন রাখেন, এবার ৮ ঘণ্টার ভোটে আমি ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ভোট পেয়েছি। এতো বছরের রাজনৈতিক জীবনে আমি মাত্র ৩০ হাজার ভোট গতবারের চেয়ে বেশি কামাই করলাম? আমার মনে হয়েছে আপনাদের (গণমাধ্যমকর্মীদের) এই বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত।’
স্টাফ রিপোর্টার 






















