ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফারুক হোসেন (৭২) এক নারীসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন। সোমবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের ঝিলটুলী এলাকার নিজ বাসা থেকে কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাকে আটক করে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শামছুল আজম জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অভিযান চালিয়ে ফারুক হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল্লাহ বিশ্বাস বলেন, “আটকের সময় বাসায় একজন নারীও ছিলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকেও হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।”
দুই মামলার আসামি
পুলিশ জানায়, ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দুটি মামলা রয়েছে। একটি মামলা পুলিশ করেছে, অপরটি দায়ের করেন মামুদপুর এলাকার মুজাহিদ ইসলাম। অভিযোগে বলা হয়, বাদীর মেয়ে ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় ৪ আগস্ট হামলার শিকার হন। পরে বাদী ঘটনাস্থলে গেলে তাকেও মারধর করে মৃত ভেবে ফেলে যায় হামলাকারীরা।
দলে নেতৃত্ব বিতর্কে
ফারুক হোসেন পূর্বে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত বছরের ৫ আগস্টের পর সভাপতি শামীম হক যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেলে, ফারুক নিজ ফেসবুক পেজে জানান—তাকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা হয়েছে। তবে দলীয় সূত্রে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
এর আগে ২৮ অক্টোবর সভাপতি শামীম হক ফেসবুকে লেখেন, “আমার নেত্রী যাকে দায়িত্ব দেবেন, সবাই তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।”
পরিচয়
ফারুক হোসেন ফরিদপুর শহরের হাবেলী গোপালপুর এলাকার মৃত মো. জাহিদ হোসেনের ছেলে। তিনি একসময় কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।
পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্টাফ রিপোর্টার 























