০২:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে ফিরলে সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাবেন তারেক

 

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তারেক রহমানের দেশে ফেরার আলোচনা আবারও জোরালো হয়েছে। যদিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানান—দেশে ফিরবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে তার ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণে নেই। এর মাঝে রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেকেই বলছেন, নিরাপত্তা উদ্বেগই তার দেশে না ফেরার অন্যতম কারণ।

 

এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে—তারেক রহমান দেশে প্রবেশ করলে তাকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আওতায় রাখা হবে। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর থেকেই প্রয়োজনে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) বিশেষ সুরক্ষাও দেওয়া হতে পারে। দেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ সমমর্যাদার যেসব ব্যক্তিকে এসএসএফ সুরক্ষা প্রদান করে থাকে, সেই তালিকায় সম্প্রতি খালেদা জিয়াকেও যুক্ত করা হয়েছে।

 

গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের দাবি—তারেক রহমানের দেশে ফিরতে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। তবে বুধবার পর্যন্ত তিনি দেশে ফেরার কোনো বাস্তব প্রস্তুতি নেননি। জানা গেছে, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা–সংক্রান্ত কয়েকটি মেডিকেল রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর পরিস্থিতি পুনর্বিবেচনা করা হবে। বিদেশে নেওয়ার সুযোগ না থাকলে তিনি দ্রুত দেশে আসতে পারেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। সামগ্রিক বিবেচনায় ডিসেম্বরের ১১ তারিখের মধ্যেই তার ফেরার সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে।

 

তারেক রহমান বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন এবং তার বাংলাদেশি পাসপোর্টের মেয়াদ বহু আগেই শেষ হয়েছে। দেশে ফেরার জন্য তাকে নতুন পাসপোর্ট, অন্য দেশের পাসপোর্ট কিংবা ট্রাভেল পাসের প্রয়োজন হবে। সরকার বলছে—তিনি চাইলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত তিনি এমন কোনো আবেদন করেননি।

 

অন্যদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে—বাংলাদেশে কারো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। বিশেষ নিরাপত্তা প্রয়োজন হলে সরকার তা দিতে প্রস্তুত। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন—খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতেই তারেক রহমান দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেবেন এবং সব ঠিক থাকলে শিগগিরই তিনি ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

মদনে মসজিদের জমি নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬

মমেকের ৫০ শয্যার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রোগী ১৩০, ঠাঁই মেঝে-বারান্দায়

25 September 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

বাংলাদেশে ফিরলে সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাবেন তারেক

পোষ্টের সময় : ০৬:৪৯:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

 

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তারেক রহমানের দেশে ফেরার আলোচনা আবারও জোরালো হয়েছে। যদিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানান—দেশে ফিরবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে তার ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণে নেই। এর মাঝে রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেকেই বলছেন, নিরাপত্তা উদ্বেগই তার দেশে না ফেরার অন্যতম কারণ।

 

এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে—তারেক রহমান দেশে প্রবেশ করলে তাকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আওতায় রাখা হবে। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর থেকেই প্রয়োজনে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) বিশেষ সুরক্ষাও দেওয়া হতে পারে। দেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ সমমর্যাদার যেসব ব্যক্তিকে এসএসএফ সুরক্ষা প্রদান করে থাকে, সেই তালিকায় সম্প্রতি খালেদা জিয়াকেও যুক্ত করা হয়েছে।

 

গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের দাবি—তারেক রহমানের দেশে ফিরতে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। তবে বুধবার পর্যন্ত তিনি দেশে ফেরার কোনো বাস্তব প্রস্তুতি নেননি। জানা গেছে, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা–সংক্রান্ত কয়েকটি মেডিকেল রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর পরিস্থিতি পুনর্বিবেচনা করা হবে। বিদেশে নেওয়ার সুযোগ না থাকলে তিনি দ্রুত দেশে আসতে পারেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। সামগ্রিক বিবেচনায় ডিসেম্বরের ১১ তারিখের মধ্যেই তার ফেরার সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে।

 

তারেক রহমান বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন এবং তার বাংলাদেশি পাসপোর্টের মেয়াদ বহু আগেই শেষ হয়েছে। দেশে ফেরার জন্য তাকে নতুন পাসপোর্ট, অন্য দেশের পাসপোর্ট কিংবা ট্রাভেল পাসের প্রয়োজন হবে। সরকার বলছে—তিনি চাইলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত তিনি এমন কোনো আবেদন করেননি।

 

অন্যদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে—বাংলাদেশে কারো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। বিশেষ নিরাপত্তা প্রয়োজন হলে সরকার তা দিতে প্রস্তুত। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন—খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতেই তারেক রহমান দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেবেন এবং সব ঠিক থাকলে শিগগিরই তিনি ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card