০৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করল যুক্তরাষ্ট্র

 

বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য এই প্রশংসা করেছে দেশটি। একইসঙ্গে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে যাওয়া এই অঞ্চলের অন্য দেশগুলোরও প্রশংসা করেছে ওয়াশিংটন।

 

স্থানীয় সময় রোববার (২৪ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে দেওয়া এক প্রেস বিবৃতিতে একথা বলেন দপ্তরের প্রিন্সিপাল ডেপুটি স্পোকসপারসন টমাস “টমি” পিগট।

 

বিবৃতিতে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়েছে, যার মধ্যে সহিংসতা ও বাস্তুচ্যুতির শিকার রোহিঙ্গা এবং অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীও রয়েছে। পাশাপাশি, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে (যুক্তরাষ্ট্র) ধন্যবাদ জানিয়েছে এবং এ অঞ্চলের অন্য দেশগুলোরও প্রশংসা করেছে, যারা মিয়ানমার থেকে আসা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছে।

 

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর কয়েক মাসের মধ্যে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয়। এর আগে থেকেই বাংলাদেশে ছিল চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা।

 

এছাড়া প্রতি বছর নতুন করে প্রায় ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শিশু জন্ম নিচ্ছে ক্যাম্পগুলোতে। সম্প্রতি নতুন করে আসা হাজার হাজার রোহিঙ্গাসহ বর্তমানে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন বাংলাদেশে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

আসছে ‘এসআরবি’, প্রকাশিত হলো আইনের খসড়া

সরকারকে যারা কথায় কথায় পতনের কথা বলে, তারা ষড়যন্ত্রের রাজনীতিতে লিপ্ত: প্রিন্স

05 August 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করল যুক্তরাষ্ট্র

পোষ্টের সময় : ০৯:৫৪:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

 

বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য এই প্রশংসা করেছে দেশটি। একইসঙ্গে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে যাওয়া এই অঞ্চলের অন্য দেশগুলোরও প্রশংসা করেছে ওয়াশিংটন।

 

স্থানীয় সময় রোববার (২৪ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে দেওয়া এক প্রেস বিবৃতিতে একথা বলেন দপ্তরের প্রিন্সিপাল ডেপুটি স্পোকসপারসন টমাস “টমি” পিগট।

 

বিবৃতিতে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়েছে, যার মধ্যে সহিংসতা ও বাস্তুচ্যুতির শিকার রোহিঙ্গা এবং অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীও রয়েছে। পাশাপাশি, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে (যুক্তরাষ্ট্র) ধন্যবাদ জানিয়েছে এবং এ অঞ্চলের অন্য দেশগুলোরও প্রশংসা করেছে, যারা মিয়ানমার থেকে আসা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছে।

 

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর কয়েক মাসের মধ্যে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয়। এর আগে থেকেই বাংলাদেশে ছিল চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা।

 

এছাড়া প্রতি বছর নতুন করে প্রায় ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শিশু জন্ম নিচ্ছে ক্যাম্পগুলোতে। সম্প্রতি নতুন করে আসা হাজার হাজার রোহিঙ্গাসহ বর্তমানে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন বাংলাদেশে।

 

Share this news as a Photo Card