১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাইলস্টোন দুর্ঘটনার যমজ তিন মাসে মুক্ত

 

জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে প্রায় সাড়ে তিন মাসের চিকিৎসার পর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ বিমান দুর্ঘটনায় আহত দশ বছর বয়সী যমজ দুই শিশু—সারিনাহ জাহান সায়রা ও সাইবাহ জাহান সায়মা—বাড়ি ফিরে গেছে। এ দুই শিশুর চিকিৎসা সংক্রান্ত কার্যক্রমে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন।

 

আজ বুধবার সকালে ইনস্টিটিউটের পরিচালকের কার্যালয়ে দুই শিশুকে বিদায় জানানো হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, বিমান দুর্ঘটনায় আহত ৫৭ জন এই হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা পেয়েছিলেন। এদের মধ্যে ২০ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন। একজনকে মানসিক হাসপাতালে ট্রমা ব্যবস্থাপনার জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনজন রোগী এখনও চিকিৎসাধীন, তবে তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।

 

যমজ দুই শিশুর মধ্যে সায়রা ৩০ শতাংশ এবং সায়মা ১৫ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় ভর্তি হয়েছিল। পরিচালক বলেন, “চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্টাফদের কঠোর পরিশ্রম এবং আন্তরিক সেবার কারণে সকল রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছে। সরকারের পক্ষ থেকেও সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে।”

 

তিনি আরও জানান, যারা হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন, তাদের ফলোআপ চিকিৎসা চলবে এবং হাসপাতালে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হবে। এছাড়া সিঙ্গাপুর, ভারত, চীন ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের চিকিৎসক যারা আহতদের চিকিৎসায় সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

 

যমজ শিশুদের বাবা-মা, ইয়াসিন মজুমদার ও আকলিমা আক্তার, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতা এবং সরকারের সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

 

উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্ত হলে ৩৬ জন নিহত এবং ১২৪ জন আহত হন। তদন্ত কমিটি দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে বিমান পাইলটের উড্ডয়ন ত্রুটি চিহ্নিত করেছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

হাম নিয়ন্ত্রণে আসতে দুই-তিন মাস লাগবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

19 August 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

মাইলস্টোন দুর্ঘটনার যমজ তিন মাসে মুক্ত

পোষ্টের সময় : ০২:৫১:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

 

জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে প্রায় সাড়ে তিন মাসের চিকিৎসার পর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ বিমান দুর্ঘটনায় আহত দশ বছর বয়সী যমজ দুই শিশু—সারিনাহ জাহান সায়রা ও সাইবাহ জাহান সায়মা—বাড়ি ফিরে গেছে। এ দুই শিশুর চিকিৎসা সংক্রান্ত কার্যক্রমে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন।

 

আজ বুধবার সকালে ইনস্টিটিউটের পরিচালকের কার্যালয়ে দুই শিশুকে বিদায় জানানো হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, বিমান দুর্ঘটনায় আহত ৫৭ জন এই হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা পেয়েছিলেন। এদের মধ্যে ২০ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন। একজনকে মানসিক হাসপাতালে ট্রমা ব্যবস্থাপনার জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনজন রোগী এখনও চিকিৎসাধীন, তবে তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।

 

যমজ দুই শিশুর মধ্যে সায়রা ৩০ শতাংশ এবং সায়মা ১৫ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় ভর্তি হয়েছিল। পরিচালক বলেন, “চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্টাফদের কঠোর পরিশ্রম এবং আন্তরিক সেবার কারণে সকল রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছে। সরকারের পক্ষ থেকেও সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে।”

 

তিনি আরও জানান, যারা হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন, তাদের ফলোআপ চিকিৎসা চলবে এবং হাসপাতালে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হবে। এছাড়া সিঙ্গাপুর, ভারত, চীন ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের চিকিৎসক যারা আহতদের চিকিৎসায় সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

 

যমজ শিশুদের বাবা-মা, ইয়াসিন মজুমদার ও আকলিমা আক্তার, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতা এবং সরকারের সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

 

উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্ত হলে ৩৬ জন নিহত এবং ১২৪ জন আহত হন। তদন্ত কমিটি দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে বিমান পাইলটের উড্ডয়ন ত্রুটি চিহ্নিত করেছে।

 

Share this news as a Photo Card