০৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়ায় চোরাইপথে প্রবেশ: ১৫ বাংলাদেশি আটক

 

মালয়েশিয়ার কুচিং বিমান বন্দরে ১৫ বাংলাদেশিকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন বিভাগের মনিটরিং কন্ট্রোল ও এনফোর্সমেন্ট ইউনিট (ইউপিকেপি), সারাওয়াক।

 

সোমবার কুচিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (কেআইএ) নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়।

 

বিমান বন্দরের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন,কুয়ালালামপুর থেকে একটি বিমানে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে পৌঁছানোর পরপরই ১৫ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়।

 

কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রাথমিক তদন্তে, তাদের কারোরই ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে বৈধ প্রবেশের কোনো তথ্য নেই। পাসপোর্ট পরীক্ষা করে জাল ইমিগ্রেশন সীলের ব্যবহারও শনাক্ত করা হয়েছে, যা মালয়েশিয়ায় প্রবেশের সত্যতা আড়াল করতে ব্যবহার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, প্রতিজন পিএটিআই ব্যক্তি মালয়েশিয়ায় চোরাইপথে প্রবেশের জন্য পাচারকারী চক্রকে ১৮ হাজার থেকে ২০ হাজার রিংগিত পর্যন্ত অর্থ দিয়েছে।

 

আটকদেরকে রাজ্যের সেমুজা ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে রাখা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইনের অধীনে তদন্ত চলছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

ময়মনসিংহের চর বিনপাড়ায় টিকাদান কেন্দ্র চালু

জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের স্বার্থে কাজের আহ্বান এমপি ওয়াহাবের

05 August 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

মালয়েশিয়ায় চোরাইপথে প্রবেশ: ১৫ বাংলাদেশি আটক

পোষ্টের সময় : ০১:৫০:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

 

মালয়েশিয়ার কুচিং বিমান বন্দরে ১৫ বাংলাদেশিকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন বিভাগের মনিটরিং কন্ট্রোল ও এনফোর্সমেন্ট ইউনিট (ইউপিকেপি), সারাওয়াক।

 

সোমবার কুচিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (কেআইএ) নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়।

 

বিমান বন্দরের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন,কুয়ালালামপুর থেকে একটি বিমানে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে পৌঁছানোর পরপরই ১৫ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়।

 

কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রাথমিক তদন্তে, তাদের কারোরই ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে বৈধ প্রবেশের কোনো তথ্য নেই। পাসপোর্ট পরীক্ষা করে জাল ইমিগ্রেশন সীলের ব্যবহারও শনাক্ত করা হয়েছে, যা মালয়েশিয়ায় প্রবেশের সত্যতা আড়াল করতে ব্যবহার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, প্রতিজন পিএটিআই ব্যক্তি মালয়েশিয়ায় চোরাইপথে প্রবেশের জন্য পাচারকারী চক্রকে ১৮ হাজার থেকে ২০ হাজার রিংগিত পর্যন্ত অর্থ দিয়েছে।

 

আটকদেরকে রাজ্যের সেমুজা ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে রাখা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইনের অধীনে তদন্ত চলছে।

 

Share this news as a Photo Card