বোটানিস্ট এসোসিয়েশন অব ময়মনসিংহ এর উদ্যোগে বোটানি অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকাল ১০টায় শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সরকারি আনন্দ মোহন কলেজ প্রাঙ্গণে মৌলভী হামিদ উদ্দিন ভবনে এই অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়।
বোটানিস্ট এসোসিয়েশন অব ময়মনসিংহ সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক মানিক লাল সাহা এই অলিম্পিয়াডের উদ্বোধন করেন।
এসময় আনন্দ মোহন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র ভৌমিক, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব প্রফেসর কিরিট কুমার দত্ত, আনন্দ মোহন কলেজের উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আতিকুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক মানিক লাল সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ শাহাব উদ্দিন, ঈশ্বরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন আহাম্মদ, অধ্যাপক লিলি বিলকিস রানা, সহযোগী অধ্যাপক আয়েশা পারভিন, সহযোগী অধ্যাপক ফারহানা আক্তার, সহকারী অধ্যাপক রিপন কুমার সাহা প্রমুখ।
অধ্যাপক মানিক লাল সাহা বলেন, আধুনিক সভ্যতা বিনির্মাণে এবং মানবকূলের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা-সংস্কৃতি এবং স্বাস্থ্যসেবায় বৃক্ষরাজির অবদান অনস্বীকার্য। তাই জ্ঞান-বিজ্ঞানকে সমৃদ্ধ করতে তথা মানবকূলের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে এবং উপযুক্ত সবুজাচ্ছাদিত পরিবেশ সৃষ্টিতে তরুণ প্রজন্মকে জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষা সম্পর্কে সচেতন করা অত্যন্ত জরুরি।
বোটানি অলিম্পিয়াড এর আহবায়কের দায়িত্ব পালন করা প্রফেসর কিরিট কুমার দত্ত উনার বক্তৃতায় বলেন, পরিবেশ সুরক্ষায় জীববৈচিত্র্য ও বৃক্ষরাজির ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা অর্জন, সাধারণ জনগণকে অবহিতকরন, দেশের সাধারণ জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নির্বিচারে বৃক্ষনিধন এবং পরিবেশদূষণ প্রতিরোধে টেকসই কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের তরুণ শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে হবে।
বোটানিস্ট এসোসিয়েশন অব ময়মনসিংহ এর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোহসীন বলেন, ‘বৃক্ষরাজি প্রাণিকূল ও পরিবেশের পরম বন্ধু’ এ অনিবার্য সত্যকে ধারণ করে দেশের প্রতিটি মানুষকে সবুজ পৃথিবী গড়তে বৃক্ষের প্রতি যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান। নিজেদের দায়বদ্ধতা থেকে এই আয়োজন আগামীতে নিয়মিতভাবে করা হবে।
বোটানি অলিম্পিয়াডে ময়মনসিংহ মহানগরীর বিভিন্ন কলেজের কলেজের চার শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। ১শ নাম্বারে এক ঘন্টাব্যাপী পরীক্ষা গ্রহন শেষে তাৎক্ষণিক উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয় এবং সর্বোচ্চ নাম্বারের ভিত্তিতে সেরা ১০ জন প্রতিযোগীকে পুরস্কৃত করা হয়। এছাড়া কুইজ কম্পিটিশনের আয়োজনও ছিল এবং সংক্ষিপ্ত পরিসরে অংশগ্রহণকারীদের মাঝ থেকে অনেক শিক্ষার্থী গান পরিবেশন করেন।
সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং পুরস্কার বিতরণ শেষে গ্রুপ ফটোসেশানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন নেত্রকোণার আবু আব্বাস কলেজের সহকারী অধ্যাপক নাজমুল কবির।
স্টাফ রিপোর্টার 























