সিলেটে উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের লাইনচ্যুতির ঘটনায় বাংলাদেশ রেলওয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দুই রেলওয়ে কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন লোকোমাস্টার মো. ইলিয়াস এবং সহকারী লোকোমাস্টার জহিরুল ইসলাম নোমান।
৭ অক্টোবর শনিবার সকালে সিলেটের মোগলাবাজার রেলস্টেশনের কাছে ট্রেনের একটি কোচ লাইনচ্যুত হয়। এ কারণে সিলেট রুটে ট্রেন চলাচল অস্থায়ীভাবে বন্ধ থাকে। ঘটনার ফলে চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেসসহ একাধিক ট্রেনের শিডিউল বিপর্যস্ত হয় এবং যাত্রীরা দীর্ঘ সময় দেরিতে গন্তব্যে পৌঁছান।
ঘটনার পর রেলওয়ের ডিভিশনাল ম্যানেজার নির্দেশ দেন চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করতে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত কমিটিতে থাকবেন বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ঢাকা), বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ (ঢাকা), বিভাগীয় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (লোকোমাস্টার বিভাগ, ঢাকা) এবং বিভাগীয় সিগন্যাল ইঞ্জিনিয়ার (ঢাকা)।
তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার কারণ নির্ধারণের পর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। রেলওয়ে সূত্র জানায়, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ট্রেনের লাইনচ্যুতির পেছনে সম্ভবত যান্ত্রিক ত্রুটি বা রেলপথের কোনো সমস্যা রয়েছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বলেছে, দুর্ঘটনার কারণে যাত্রীদের কোনো বড় ধরনের আঘাতের ঘটনা ঘটেনি। তবে রেল চলাচলে অস্থায়ী বিঘ্নের কারণে যাত্রীরা অসুবিধা ভোগ করেছেন।
এই ধরনের দুর্ঘটনা রোধে রেলওয়ে ভবিষ্যতে আরও কড়া মান নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা করছে। রেলওয়ের কর্মকর্তারা আশ্বাস দিয়েছেন যে, যাত্রীদের সুবিধা ও নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
স্টাফ রিপোর্টার 






















