চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি সব ধরনের সেবার মাশুল গড়ে ৪১% বৃদ্ধি করার ঘোষণা দিয়েছে। বিশেষ করে কনটেইনার পরিবহনের মাশুল ৩৭% বেড়ে গেছে। নতুন ট্যারিফ সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে। ফলে প্রতি ২০ ফুট কনটেইনারে গড়ে ব্যবসায়ীদের জন্য ৪,৩৯৫ টাকা অতিরিক্ত খরচ গুনতে হবে।
রপ্তানি খাতের উদ্যোক্তারা এই মাশুল বৃদ্ধিকে ‘অশনি সংকেত’ হিসেবে দেখছেন। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, ২৫ আগস্টের বৈঠকে তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী মাশুল বৃদ্ধি সীমিত করার কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু তা উপেক্ষা করে গেজেটে ঘোষণা করা হয়েছে। তারা বলছেন, প্রস্তাব অনুযায়ী ১০% এর বেশি বৃদ্ধি করা উচিত ছিল না।
বিজিএমইএ চট্টগ্রামের পরিচালক রাকিবুল আলম চৌধুরী বলেন, “যেভাবে ট্যারিফ বৃদ্ধি করা হয়েছে, এতে রপ্তানি খাতের উন্নতি কঠিন হবে।” তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, আগামী জানুয়ারি থেকে পোশাক খাত এই বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব অনুভব করবে।
বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমও মন্তব্য করেছেন, “চট্টগ্রাম বন্দর দীর্ঘদিন লাভবান, তাই ৪১% ট্যারিফ বৃদ্ধির কোনো যৌক্তিকতা নেই।” তিনি বর্ধিত মাশুল পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন। উদ্যোক্তারা আশঙ্কা করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ায় নতুন ট্যারিফ রপ্তানি খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
স্টাফ রিপোর্টার 























