ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্ত করতে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চলছে, এমনকি মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়ে যারা সরকারি চাকরি পেয়েছেন, তাঁদেরও এই পর্যালোচনার আওতায় আনা হয়েছে। দ্রুত এ কাজ শেষ করতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও মিথ্যা তথ্য দিয়ে সনদ গ্রহণ করা অন্তত ১২ ব্যক্তি স্বেচ্ছায় নিজেদের ভুল স্বীকার করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সনদ ফেরত দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। এটি প্রমাণ করে যে, পূর্ববর্তী সময়ে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ দেওয়া হয়েছিল।
তাদের মধ্যে একজন সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়ে অবসরে গেছেন, অন্য একজন সনদ গ্রহণকে নিজের ভুল হিসেবে স্বীকার করেছেন। কেউ কেউ দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন এবং লিখেছেন—‘আমি লজ্জিত’।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করলেও, আবেদনকারী ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যেহেতু তারা মন্ত্রণালয়ের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আবেদন করেছেন, তাই নাম প্রকাশ করা হলে তারা সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হতে পারেন। এজন্য তাদের পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।
জানা যায়, ৯০ হাজার সরকারি কর্মচারীর মুক্তিযোদ্ধা সনদ যাচাইয়ের কাজ চলছে, যার মধ্যে প্রায় ৪০ হাজারের পর্যালোচনা সম্পন্ন হয়েছে। বাকিগুলোর যাচাই দ্রুত শেষ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে।
























