আজ বুধবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। মুসলিম উম্মাহর কাছে দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, ১২ রবিউল আউয়াল মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। একই তারিখে ৬৩ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন বলেও ইসলামী ঐতিহ্যে উল্লেখ রয়েছে।
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা নগরীর সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা আমিনার কোল আলোকিত করে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মের সময় আরব সমাজ নানা কুসংস্কার, মূর্তিপূজা, হানাহানি ও সামাজিক অনাচারে নিমজ্জিত ছিল। ইসলামের আবির্ভাবের মধ্য দিয়ে মানবতার জন্য শান্তি, ন্যায়, সাম্য ও কল্যাণের বার্তা প্রতিষ্ঠিত হয়।
শৈশব থেকেই মহানবী (সা.) ছিলেন সত্যবাদী ও বিশ্বস্ততার প্রতীক। ২৫ বছর বয়সে হজরত খাদিজা (রা.)-এর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। ৪০ বছর বয়সে তিনি নবুয়ত লাভ করেন। এরপর দীর্ঘ ২৩ বছর তিনি মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদত, ন্যায়, মানবিকতা, সহনশীলতা ও শান্তির পথে আহ্বান জানান।
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। তাঁরা মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে হিংসা-বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে শান্তি, সম্প্রীতি ও সাম্যের ভিত্তিতে সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
দিনটি উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠন আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি পালন করছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে মঙ্গলবার বাদ মাগরিব থেকে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পক্ষকালব্যাপী কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
এ উপলক্ষে বিএনপি নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। জামায়াতে ইসলামী ও দলটির বিভিন্ন সংগঠন সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আজ বাদ আসর বাংলামোটরে দলীয় কার্যালয়ে মেহফিলে ইশক রাসুল (সা.) ও নাত-সন্ধ্যার আয়োজন করেছে।
স্টাফ রিপোর্টার 





















