দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিশরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে পেনাল্টি মিস করলেও পরে গোল ও অ্যাসিস্ট করে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মিশর। ১৫ মিনিটে মারওয়ান আতিয়ার ক্রস থেকে ইয়াসির ইব্রাহিমের হেডে এগিয়ে যায় দলটি। পাঁচ মিনিট পর সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েও পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন মেসি। মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর দুর্দান্ত সেভে সেই সুযোগ নষ্ট করে দেন।
দ্বিতীয়ার্ধে মোহাম্মদ সালাহর পাস থেকে মোস্তফা জিকো বল জালে জড়ালেও ভিএআরের সিদ্ধান্তে গোলটি বাতিল হয়। পরে আরেকটি আক্রমণ থেকে জিকো গোল করে মিশরকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। ওই গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘিরে মাঠে ও মিশর শিবিরে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা। ক্রিস্টিয়ান রোমেরো হেডে ব্যবধান কমানোর পর ৮৩ মিনিটে দুর্দান্ত হাফ-ভলিতে গোল করে সমতা ফেরান মেসি। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে লতারো মার্তিনেসের ক্রস থেকে এনজো ফার্নান্দেজের হেডে জয়সূচক গোল আসে।
শেষ বাঁশির পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মেসি। দুর্দান্ত এই প্রত্যাবর্তনের আনন্দে তাকে চোখের পানি ফেলতেও দেখা যায়। অন্যদিকে বিতর্কিত ভিএআর সিদ্ধান্ত ও ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মিশর। জয়সূচক গোলের পর উত্তেজনার মধ্যে মিশরের কোচিং স্টাফের এক সদস্য লাল কার্ড দেখেন।
এই ম্যাচে টানা নবম বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার রেকর্ড গড়েছেন মেসি। একই সঙ্গে টুর্নামেন্টে আট গোল নিয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়েও নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

স্পোর্টস ডেস্ক 

























