০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মসজিদুল হারামের যেসব স্থানে নামাজ পড়েছিলেন রাসূল (সাঃ)

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • পোষ্টের সময় : ০৫:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • ৬৮১ ভিউ :

কাবা শরিফকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা মসজিদুল হারামে নামাজ আদায় করার ফজিলত দুনিয়ার অন্য যেকোনো জায়গা বা মসজিদের তুলনায় অনেক বেশি। রাসুলুল্লাহ (সা.) স্বয়ং এ কথা তাঁর পবিত্র মুখে উল্লেখ করেছেন।

 

বর্ণিত হয়েছে, ‘অন্যান্য মসজিদের নামাজেরর তুলনায় মসজিদুল হারামের নামাজ এক লক্ষ গুণ উত্তম।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১৪০৬)

 

বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, শুধু তিনটি মসজিদের উদ্দেশে সফর করা যাবে- আমার এই মসজিদ (মসজিদে নববী), মসজিদে হারাম ও মসজিদে আকসা। -(সহিহ মুসলিম, সহিহ বুখারি, হাদিস : ১১৮৯)

 

অন্য আরেক হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত জাবির (রা.) বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আমার এই মসজিদে একটি নামাজ অন্য মসজিদে হাজার নামাজ থেকেও উত্তম। তবে মসজিদে হারাম ছাড়া। কেননা, মসজিদে হারামে একটি নামাজ অন্য মসজিদের এক লাখ নামাজের চেয়ে উত্তম। -(মুসনাদে আহমদ)

 

মহানবী (সা.) মসজিদুল হারামের যেসব স্থানে নামাজ পড়েছিলেন, তা হলো—

 

১. কাবা শরিফের অভ্যন্তরে।

২. মাকামে ইবরাহিমের পেছনে।

৩. হাজরে আসওয়াদের সামনে মাতাফ ওবা তাওয়াফের স্থানে।

৪. রুকনে ইরাকীর কাছে— যা হাতীম এবং কাবা শরিফের দরজার মাঝখানে অবস্থিত।

৫. কাবা শরীফের দরজার কাছে মাকামে ইবরাহিম বলে পরিচিত জায়গাটিতে।

৬. হাতীম— মিযাবে রহমতের নিচে।

৭. রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদের মাঝখানে।

 

সূত্র : হজ ও মাসায়েল

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

কেন্দুয়ায় মাদক, জুয়া, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ রোধে সচেতনতামূলক সভা

'রক্তদানে আমাদের ঈশ্বরগঞ্জ' এর উদ্যোগে শতাধিক শিক্ষার্থীর ব্লাড গ্রুপিং

07 August 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

মসজিদুল হারামের যেসব স্থানে নামাজ পড়েছিলেন রাসূল (সাঃ)

পোষ্টের সময় : ০৫:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

কাবা শরিফকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা মসজিদুল হারামে নামাজ আদায় করার ফজিলত দুনিয়ার অন্য যেকোনো জায়গা বা মসজিদের তুলনায় অনেক বেশি। রাসুলুল্লাহ (সা.) স্বয়ং এ কথা তাঁর পবিত্র মুখে উল্লেখ করেছেন।

 

বর্ণিত হয়েছে, ‘অন্যান্য মসজিদের নামাজেরর তুলনায় মসজিদুল হারামের নামাজ এক লক্ষ গুণ উত্তম।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১৪০৬)

 

বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, শুধু তিনটি মসজিদের উদ্দেশে সফর করা যাবে- আমার এই মসজিদ (মসজিদে নববী), মসজিদে হারাম ও মসজিদে আকসা। -(সহিহ মুসলিম, সহিহ বুখারি, হাদিস : ১১৮৯)

 

অন্য আরেক হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত জাবির (রা.) বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আমার এই মসজিদে একটি নামাজ অন্য মসজিদে হাজার নামাজ থেকেও উত্তম। তবে মসজিদে হারাম ছাড়া। কেননা, মসজিদে হারামে একটি নামাজ অন্য মসজিদের এক লাখ নামাজের চেয়ে উত্তম। -(মুসনাদে আহমদ)

 

মহানবী (সা.) মসজিদুল হারামের যেসব স্থানে নামাজ পড়েছিলেন, তা হলো—

 

১. কাবা শরিফের অভ্যন্তরে।

২. মাকামে ইবরাহিমের পেছনে।

৩. হাজরে আসওয়াদের সামনে মাতাফ ওবা তাওয়াফের স্থানে।

৪. রুকনে ইরাকীর কাছে— যা হাতীম এবং কাবা শরিফের দরজার মাঝখানে অবস্থিত।

৫. কাবা শরীফের দরজার কাছে মাকামে ইবরাহিম বলে পরিচিত জায়গাটিতে।

৬. হাতীম— মিযাবে রহমতের নিচে।

৭. রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদের মাঝখানে।

 

সূত্র : হজ ও মাসায়েল

Share this news as a Photo Card