০৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিসেম্বরে বাড়ছে শীত, শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা

 

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইতোমধ্যেই শীতের আমেজ স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে ভোরের দিকে কনকনে ঠান্ডা আর হিমেল বাতাস মানুষের স্বাভাবিক চলাচলে প্রভাব ফেলছে। দুপুরের ম্লান রোদও পুরোপুরি শীত কাটাতে পারছে না। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই শীত আরও প্রবল হবে এবং তখন প্রথম শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

আবহাওয়াবিদদের মতে, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, রংপুর, কুড়িগ্রাম, নওগাঁ, নাটোর ও রাজশাহী—এই সব উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হবে। ফলে ঐসব এলাকায় তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে নিচে নেমে যেতে পারে এবং ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দিনমান ছোট হয়ে আসায় শীতের অনুভূতি আরও বাড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন।

 

এদিকে দক্ষিণ–পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ বর্তমানে বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলো থেকে তুলনামূলক দূরে রয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা বন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হলেও, এ ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশ উপকূলে সরাসরি আঘাত হানার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সমুদ্রবন্দরে বাতাসের গতিবেগ ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের কাছে ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটারের মধ্যে ওঠানামা করছে, যার কারণে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

 

আবহাওয়া বিশ্লেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, বছরের বাকি সময়টুকুতে আর কোনো নতুন ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়ে বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাবনা নেই। তাই উপকূলীয় ঝুঁকি তুলনামূলক কম, তবে শীতের তীব্রতা বাড়বে নিশ্চিতভাবেই।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

সরকারের ৬ মাস, ব্যক্তির বৃত্ত থেকে এখন জনগণের দোয়ারে

কেন্দুয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‍্যালী

16 August 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

ডিসেম্বরে বাড়ছে শীত, শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা

পোষ্টের সময় : ১১:৩৩:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

 

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইতোমধ্যেই শীতের আমেজ স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে ভোরের দিকে কনকনে ঠান্ডা আর হিমেল বাতাস মানুষের স্বাভাবিক চলাচলে প্রভাব ফেলছে। দুপুরের ম্লান রোদও পুরোপুরি শীত কাটাতে পারছে না। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই শীত আরও প্রবল হবে এবং তখন প্রথম শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

আবহাওয়াবিদদের মতে, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, রংপুর, কুড়িগ্রাম, নওগাঁ, নাটোর ও রাজশাহী—এই সব উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হবে। ফলে ঐসব এলাকায় তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে নিচে নেমে যেতে পারে এবং ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দিনমান ছোট হয়ে আসায় শীতের অনুভূতি আরও বাড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন।

 

এদিকে দক্ষিণ–পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ বর্তমানে বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলো থেকে তুলনামূলক দূরে রয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা বন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হলেও, এ ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশ উপকূলে সরাসরি আঘাত হানার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সমুদ্রবন্দরে বাতাসের গতিবেগ ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের কাছে ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটারের মধ্যে ওঠানামা করছে, যার কারণে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

 

আবহাওয়া বিশ্লেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, বছরের বাকি সময়টুকুতে আর কোনো নতুন ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়ে বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাবনা নেই। তাই উপকূলীয় ঝুঁকি তুলনামূলক কম, তবে শীতের তীব্রতা বাড়বে নিশ্চিতভাবেই।

 

Share this news as a Photo Card