সারা দেশের নির্বাচন অফিসগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি)-কে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মাঠপর্যায়ের আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস, সিনিয়র জেলা ও জেলা নির্বাচন অফিস এবং উপজেলা ও থানা নির্বাচন অফিসে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে এই চিঠিতে।
নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন পরিচালনা–২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিটি আইজিপির কাছে পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, গত ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরপরই কয়েকটি এলাকায় নির্বাচন অফিসকে লক্ষ্য করে নাশকতার ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন অফিস এবং পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা নির্বাচন কমিশনের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন অফিসগুলোতে নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নথি, ভোটগ্রহণ সামগ্রী ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সংরক্ষিত থাকে। এসব দপ্তরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত জরুরি। সাম্প্রতিক সহিংস ও নাশকতার ঘটনার প্রেক্ষাপটে এসব অফিসের সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন।
এ অবস্থায় দেশের সব আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস, সিনিয়র জেলা ও জেলা নির্বাচন অফিস এবং উপজেলা ও থানা নির্বাচন অফিসে প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন সময় যত এগোবে, নিরাপত্তা ঝুঁকিও তত বাড়তে পারে। তাই আগাম সতর্কতা হিসেবে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।
নির্বাচন কমিশন মনে করছে, নিরাপদ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি মৌলিক শর্ত। এ কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এদিকে নির্বাচন তফসিল ঘোষণার পর থেকেই দেশজুড়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগকে প্রশাসনিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্টাফ রিপোর্টার 
























