প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো সোমবার (২০ এপ্রিল) নিজ জেলা বগুড়ায় যাচ্ছেন তারেক রহমান। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর পৈতৃক বাড়ি গাবতলীর বাগবাড়ীতেও যাওয়ার কথা রয়েছে তার।
এরই মধ্যে সকাল ৬টায় রাজধানীর গুলশানের বাড়ি থেকে সড়ক পথে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সফরসঙ্গী হিসেবে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান সঙ্গে আছেন। সকাল সাড়ে ১০টায় তাদের বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সব অনুষ্ঠান শেষ করে তারা সন্ধ্যা ৬টায় সড়ক পথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের বগুড়া সফরের মূল কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে- বগুড়ায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।
বিমানবন্দর থেকে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল শুরু করা, বগুড়া শহরকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা, বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেললাইন নির্মাণ, করতোয়া নদীতে প্রাণ ফিরিয়ে আনার প্রকল্প গ্রহণ এবং শহরের যানজট কমাতে বিকল্প রাস্তা ও ফ্লাইওভার নির্মাণ।
এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে রেললাইন নির্মাণ ও করতোয়া নদীর আংশিক খননকাজ হাতে নেওয়া হলেও অর্থ বরাদ্দ না দেওয়ায় তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সিটি করপোরেশন ও সারিয়াকান্দিতে নৌবন্দর এবং বিমানবন্দর নিয়ে কাজ শুরু করলেও তা মাঝপথে থেমে যায়। তবে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার।
বিএনপি সরকার গঠন করার পর এসব দাবির সঙ্গে যুক্ত হয় বগুড়ার সারিয়াকান্দি হয়ে জামালপুরের মাদারগঞ্জ পর্যন্ত আরেকটি যমুনা সেতু নির্মাণ, বগুড়া বিভাগ বাস্তবায়ন, বগুড়া টেলিভিশন কেন্দ্র স্থাপন এবং এলপিজি গ্যাস ডিপো চালু। এই দাবিগুলোর সঙ্গে আরও বেশ কিছু দাবিসহ মোট ২৩টি দাবি তুলে ধরেছে বগুড়া নাগরিক ফোরাম।
এ ছাড়া তার অন্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- নিজবাড়ি গাবতলীর বাগবাড়ী এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড, শহীদ জিয়া গ্রাম হাসপাতালে হাম-রুবেলা টিকার কার্যক্রম উদ্বোধন, বাগবাড়ি চৌকিরদহ এলাকায় খাল খনন, বগুড়া জজ আদালতে নতুন ভবন ও ইবেইলবন্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন, বগুড়া প্রেস ক্লাব ও বায়তুর রহমান মসজিদের নতুন ভবনের উদ্বোধন এবং আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় ভাষণ।
স্টাফ রিপোর্টার 























