ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ৬নং ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের ইচাইল পূর্বপাড়া এলাকায় এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার ফসলি জমির উপর দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারী হাজী মোঃ জালাল উদ্দিন আহাম্মেদ অবসরপ্রাপ্ত এস আই, জানান, এলাকাবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে মানবিক কারণে তিনি তার বাড়ির পূর্ব পাশে প্রায় ৪০ শতাংশ জমির উপর দিয়ে রাস্তা দেন।
তবে তার অনুপস্থিতির সুযোগে রাতের অন্ধকারে একই ধানী ফসলি জমির দক্ষিণ, পশ্চিম ও উত্তর পাশ দিয়ে আরও রাস্তা নির্মাণ করা হয় জোরপূর্বক ভাবেই। তিনি দাবি করেন, ভেকু মেশিন দিয়ে জমি কেটে রাস্তা নির্মাণ কাজ শুরু করা হলে বাধা দেওয়া সত্ত্বেও কাজ চালিয়ে যাওয়া হয়। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। কিন্তু পুনরায় রাতের অন্ধকারে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মনগড়া অন্যদিক দিয়ে রাস্তা নির্মান করেন এলাকার প্রতাবশালী ব্যক্তির পরামর্শে। এতে ফসলী জমির উপর দিয়ে রাস্তা নির্মান করায় অত্র এলাকার প্রায় ৫০ টি পরিবার রাস্তা ব্যবহার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।অত্র এলাকার আরিফুর রহমান বলেন, এ রাস্তাটি পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী হয় নাই । পরিকল্পনা ছিল একদিকে রাস্তা হয়েছে অন্যদিক থেকে। যেদিক দিয়ে রাস্তা হয়েছে এই দিক দিয়ে ফসলি জমি নষ্ট হয়েছে। আমরা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে ঘুরেও কোন সুরাহা পাইনি। প্রতিবাদ করতে গেলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে।
১৬ ফেব্রুয়ারী সোমবার সাংবাদিকরা এই বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আসে সুবিধাবাদী একটি মহল। পরিস্থিতি খুবই ঘোলাটে দেখা দেয়। সাংবাদিকগন ও কৌশলে চলে আসেন। নাম না বলা অনেকেই জানিয়েছেন এদের ভয়ে কেউই মুখ খুলতে চায়না।
প্রতাবশালী ব্যক্তির নাম হামিদ। তিনি ময়মনসিংহ নগরীর চরপাড়া পিউর ডায়াগনস্টিক সেটার এর পরিচালক এবং অত্র এলাকার মসজিদ কমিটির সভাপতি।

আরোও জানা যায় মসজিদ পর্যন্ত রাস্তা হওয়া কথা থাকলেও মসজিদ পর্যন্ত রাস্তায় যাইনি। তিনি তার ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য তার নিজের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটি তৈরি করেছেন। এতে রাস্তা ব্যবহার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রায় দুই শতাধিক এর উপর এই মানুষ। এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন সুরাহা মিলেনি। ফসলি জমির উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার গুলো।
























