০১:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহে গ্রেফতার এড়াতে বেলকনি থেকে লাফ, আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

 

পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে নিজ বাসার বেলকনি থেকে লাফ দিয়ে পালিয়েও বাঁচতে পারলো না এক সময়ের মেধাবী ছাত্রনেতা মহানগর আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মঞ্জুর মোর্শেদ রাজু। পুলিশী অভিযানের পর বৃহস্পতিবার গভিররাতে গুরুতর আহত অবস্থায় তউদ্ধার করে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার বিকেলে মারা যায় সে। রাজুর স্ত্রী সাথী জানান, বিগত ৮/১০ বছর ধরে রাজু রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো না। সে রাজনীতি থেকে সরে আসে।

 

তাঁর নামে কোনো মামলাও নেই। বিগত ৫ আগষ্টের পর সে স্বাভাবিক জীবন যাপন করছিলো।বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কোতোয়ালি পুলিশের একটি দল বাসায় আসে রাজুর খোঁজে। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে দুতলার বেলকনি থেকে লাফ দিয়ে নীচে পড়ে পালানোর চেষ্ঠা করে। কিন্তু লাফ দিতে গিয়ে পাশের আপর একটি বাউন্ডারি দেয়ালে বাঁধাগ্রস্ত হয়ে মাথায় ও শরীরে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এরপর পুলিশ চলে গেলে অনেকক্ষণ পর আশপাশের লোকজন রাজুকে রক্তাক্ত অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পরিবারকে খবর দেয়। এরপর তাঁকে চরপাড়া এলাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে মাথায় অস্ত্রপচার করা হয়। শুক্রবার বিকেল ৩টায় তাঁকে মৃত ঘোষনা করা হয়।

 

হাদির মৃত্যুর পর আওয়ামী লীগ ও তাঁর অঙ্গসংগঠনের গাঁ ঢাকা নেতাকর্মীদের গ্রেফতার অভিযানে নামে কোতুয়ালী মডেল থানা পুলিশ। অভিযানের অংশ হিসেবে রাতে বাঘমারা এলাকায় রাজুর বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রাজু বাসার বেলকিন দিয়ে লাফ দিয়ে বাঁচার চেষ্ঠা করে পালিয়ে যায়।

 

কোতুয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব জানান, পুলিশের গ্রেফতার অভিযান নিয়মিত বিষয়। ওই এলাকায় পুলিশের কোন টিম অভিযানে ছিলো সেটি এই মুহুর্তে জানা নেই। রাজুর মৃত্যুর খবরও জানিনা।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

কেন্দুয়ায় মাদক, জুয়া, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ রোধে সচেতনতামূলক সভা

'রক্তদানে আমাদের ঈশ্বরগঞ্জ' এর উদ্যোগে শতাধিক শিক্ষার্থীর ব্লাড গ্রুপিং

07 August 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

ময়মনসিংহে গ্রেফতার এড়াতে বেলকনি থেকে লাফ, আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

পোষ্টের সময় : ০৬:০৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

 

পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে নিজ বাসার বেলকনি থেকে লাফ দিয়ে পালিয়েও বাঁচতে পারলো না এক সময়ের মেধাবী ছাত্রনেতা মহানগর আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মঞ্জুর মোর্শেদ রাজু। পুলিশী অভিযানের পর বৃহস্পতিবার গভিররাতে গুরুতর আহত অবস্থায় তউদ্ধার করে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার বিকেলে মারা যায় সে। রাজুর স্ত্রী সাথী জানান, বিগত ৮/১০ বছর ধরে রাজু রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো না। সে রাজনীতি থেকে সরে আসে।

 

তাঁর নামে কোনো মামলাও নেই। বিগত ৫ আগষ্টের পর সে স্বাভাবিক জীবন যাপন করছিলো।বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কোতোয়ালি পুলিশের একটি দল বাসায় আসে রাজুর খোঁজে। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে দুতলার বেলকনি থেকে লাফ দিয়ে নীচে পড়ে পালানোর চেষ্ঠা করে। কিন্তু লাফ দিতে গিয়ে পাশের আপর একটি বাউন্ডারি দেয়ালে বাঁধাগ্রস্ত হয়ে মাথায় ও শরীরে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এরপর পুলিশ চলে গেলে অনেকক্ষণ পর আশপাশের লোকজন রাজুকে রক্তাক্ত অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পরিবারকে খবর দেয়। এরপর তাঁকে চরপাড়া এলাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে মাথায় অস্ত্রপচার করা হয়। শুক্রবার বিকেল ৩টায় তাঁকে মৃত ঘোষনা করা হয়।

 

হাদির মৃত্যুর পর আওয়ামী লীগ ও তাঁর অঙ্গসংগঠনের গাঁ ঢাকা নেতাকর্মীদের গ্রেফতার অভিযানে নামে কোতুয়ালী মডেল থানা পুলিশ। অভিযানের অংশ হিসেবে রাতে বাঘমারা এলাকায় রাজুর বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রাজু বাসার বেলকিন দিয়ে লাফ দিয়ে বাঁচার চেষ্ঠা করে পালিয়ে যায়।

 

কোতুয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব জানান, পুলিশের গ্রেফতার অভিযান নিয়মিত বিষয়। ওই এলাকায় পুলিশের কোন টিম অভিযানে ছিলো সেটি এই মুহুর্তে জানা নেই। রাজুর মৃত্যুর খবরও জানিনা।

 

Share this news as a Photo Card