আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তিতে মোট ১৩০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ পেয়েছে বাংলাদেশ। এ অর্থ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে যুক্ত হওয়ায় মোট রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী (বিপিএম-৬ পদ্ধতি) রিজার্ভ এখন ২২ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার। তবে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার, যা দিয়ে তিন মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।
এর আগে ৪ জুন পর্যন্ত মোট রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার এবং ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ছিল প্রায় ১৬ বিলিয়ন।
সোমবার (বাংলাদেশ সময় রাত) আইএমএফের নির্বাহী বোর্ড ওয়াশিংটনে এক বৈঠকে এই ঋণ কিস্তি অনুমোদন করে। এর ফলে আইএমএফের সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের চলমান ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ মোট ২৩১ কোটি ডলার পেয়ে গেছে। বাকি আছে ২৩৯ কোটি ডলার, যা দুটি কিস্তিতে দেওয়া হবে।
২০২১ সালের আগস্টে দেশের রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। তবে কোভিড-পরবর্তী সময়ের আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, টাকার অবমূল্যায়ন ও অর্থপাচারের কারণে রিজার্ভে বড় ধস নামে। সংকট মোকাবিলায় ২০২২ সালে আইএমএফের কাছে ঋণের আবেদন করে বাংলাদেশ।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে আইএমএফ ঋণ অনুমোদন করে এবং তা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক হবে বলে জানায়।
বর্তমানে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ রেখে নানা উৎস থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার ফলে রিজার্ভ ফের বাড়তে শুরু করেছে।























