যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট ভবন হোয়াইট হাউসের কাছে সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যার দিকে হোয়াইট হাউস কমপ্লেক্সের ঠিক বাইরে পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ এবং সেভেনটিনথ স্ট্রিট নর্থ-ওয়েস্টের সংযোগস্থলে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পরপরই পুরো হোয়াইট হাউসজুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত পুরো এলাকা পুলিশ ঘিরে ফেলে। ঘটনার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ভেতরে অবস্থান করছিলেন।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সেভেনটিনথ স্ট্রিট ও পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউতে এক ব্যক্তি অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি চালাচ্ছেন- এমন খবর পায় সিক্রেট সার্ভিস। তথ্য পাওয়া মাত্রই সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তারা দ্রুত সেখানে ছুটে যান। এরপরই সন্দেহভাজনদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, তারা দফায় দফায় কয়েক ডজন গুলির শব্দ শুনতে পান। গোলাগুলি শুরু হওয়ার পরপরই সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টরা ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পুরো নর্থ লন এলাকা ঘিরে ফেলেন।
এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে জানান, ব্যুরোর বিশেষ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিক্রেট সার্ভিসকে সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে।
গোলাগুলি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হোয়াইট হাউসের নর্থ লনে দায়িত্বরত গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে চরম হুড়োহুড়ি শুরু হয়। সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টরা ‘নিচে ঝুঁকে পড়ুন’ এবং ‘গুলি চলছে’ বলে চিৎকার করতে করতে সাংবাদিকদের দ্রুত হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিং রুমে নিয়ে যান এবং সেখানে তাদের নিরাপদ আশ্রয় দেন।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর দীর্ঘক্ষণ পুরো হোয়াইট হাউস এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করে। পরে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসার পর অবশেষে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে হোয়াইট হাউসের লকডাউন প্রত্যাহার করা হয়। তবে গুলিবিদ্ধ দুইজনের বর্তমান শারীরিক অবস্থা এবং তাদের পরিচয় সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
























