০৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: সেই হোটেলের মালিক গ্রেপ্তার

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা-ইনের মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাতে ওই হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর তিনি ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে পালিয়ে গিয়েছিলেন।

 

শনিবার ধানবাদ থেকে কলকাতার বেহালার বাড়িতে ফেরার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দাবি, পালিয়ে যাওয়ার পর কলকাতায় বীরেশ্বরের দুটি ব্যাংক হিসাবের লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। নগদ অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় তিনি বাধ্য হয়ে কলকাতায় ফেরেন।

 

গত মঙ্গলবার রাতের ওই অগ্নিকাণ্ডে হোটেলটির নয়জন পর্যটক ও কর্মী নিহত হন। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি। তাঁদের মধ্যে কুষ্টিয়ার এক সাংবাদিক ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্যও রয়েছেন।

 

এদিকে, দুর্ঘটনার পর জানা গেছে, হোটেল শিখা-ইনের ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র ছিল না। ঘটনার পর কলকাতার নিউমার্কেট ও আশপাশের এলাকার হোটেল-গেস্টহাউসগুলোতে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ফায়ার এক্সটিংগুইশার স্থাপন ও জরুরি বের হওয়ার পথ ঠিক করা হচ্ছে।

 

অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও কলকাতা পৌর করপোরেশনের কর্মকর্তারা অন্তত ৫০টি হোটেল ও গেস্টহাউস পরিদর্শন করেছেন। নিয়ম না মানা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। যথাযথ জবাব না দিলে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হতে পারে।

 

পরিদর্শন করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিউমার্কেট এলাকার ১৭টি, মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৩টি, মারকুইস স্ট্রিটের ১৫টি, এস এন ব্যানার্জি রোডের একটি এবং তপশিয়ার একটি হোটেল রয়েছে। কয়েকটি হোটেল-গেস্টহাউস বন্ধের নোটিশও দেওয়া হয়েছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাকৃবির শহীদ শামসুল হক হলে বৃক্ষরোপণ

প্রবাসে মৃত্যুর ২৭ দিন পর তথ্য প্রতিমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় মরদেহ ফিরল দেশে

07 November 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: সেই হোটেলের মালিক গ্রেপ্তার

পোষ্টের সময় : ০৭:২৫:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা-ইনের মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাতে ওই হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর তিনি ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে পালিয়ে গিয়েছিলেন।

 

শনিবার ধানবাদ থেকে কলকাতার বেহালার বাড়িতে ফেরার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দাবি, পালিয়ে যাওয়ার পর কলকাতায় বীরেশ্বরের দুটি ব্যাংক হিসাবের লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। নগদ অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় তিনি বাধ্য হয়ে কলকাতায় ফেরেন।

 

গত মঙ্গলবার রাতের ওই অগ্নিকাণ্ডে হোটেলটির নয়জন পর্যটক ও কর্মী নিহত হন। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি। তাঁদের মধ্যে কুষ্টিয়ার এক সাংবাদিক ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্যও রয়েছেন।

 

এদিকে, দুর্ঘটনার পর জানা গেছে, হোটেল শিখা-ইনের ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র ছিল না। ঘটনার পর কলকাতার নিউমার্কেট ও আশপাশের এলাকার হোটেল-গেস্টহাউসগুলোতে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ফায়ার এক্সটিংগুইশার স্থাপন ও জরুরি বের হওয়ার পথ ঠিক করা হচ্ছে।

 

অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও কলকাতা পৌর করপোরেশনের কর্মকর্তারা অন্তত ৫০টি হোটেল ও গেস্টহাউস পরিদর্শন করেছেন। নিয়ম না মানা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। যথাযথ জবাব না দিলে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হতে পারে।

 

পরিদর্শন করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিউমার্কেট এলাকার ১৭টি, মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৩টি, মারকুইস স্ট্রিটের ১৫টি, এস এন ব্যানার্জি রোডের একটি এবং তপশিয়ার একটি হোটেল রয়েছে। কয়েকটি হোটেল-গেস্টহাউস বন্ধের নোটিশও দেওয়া হয়েছে।

 

Share this news as a Photo Card