বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করছেন তথ্য সংগ্রহকারীরা। কেউ নিচ্ছেন পরিবারের সদস্যদের তথ্য, কেউ যাচাই করছেন প্রয়োজনীয় বিবরণ। তাঁদের কার্যক্রম তদারকি করছেন সুপারভাইজাররা। নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনতে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে প্রথম ধাপে শুরু হয়েছে এ কার্যক্রম।
উপজেলার ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড, উচাখিলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড ও বড়হিত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে চলছে তথ্য সংগ্রহ। এ কাজে নিয়োজিত রয়েছেন ১৫ জনের একটি দল। তাঁদের মধ্যে তিনজন সুপারভাইজার ও ১২ জন তথ্য সংগ্রহকারী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের জন্য এ তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য, সম্ভাব্য উপকারভোগী পরিবারগুলোর তথ্য নথিভুক্ত করা এবং প্রকৃত নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করা।
তথ্য সংগ্রহকারীরা নির্ধারিত এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের প্রয়োজনীয় তথ্য নিচ্ছেন। অন্যদিকে, সুপারভাইজাররা মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন। তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা এবং উপকারভোগী নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য যথাযথভাবে নথিভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তাঁদের আশা, এ কর্মসূচির মাধ্যমে আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারগুলো সহায়তা পাবে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দামে যেসব পরিবার সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে, তাদের জন্য এ ধরনের সহায়তা স্বস্তি বয়ে আনতে পারে।তবে কর্মসূচির সুফল পেতে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি যাচাই-বাছাই ও উপকারভোগী নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাত ছাড়াই প্রকৃত যোগ্য পরিবারগুলোকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে উপকারভোগী নির্বাচন ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা গেলে নিম্নআয়ের মানুষের আর্থিক চাপ কমানোর পাশাপাশি তাঁদের জীবনমান উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে এ উদ্যোগ।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মির্জা নিজুয়ারা বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান আছে। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে যোগ্য পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীরা এ কর্মসূচির আওতায় আসতে পারেন।”
ঈশ্বরগঞ্জ প্রতিনিধি 



















