০২:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবশেষে ঘোষিত তফসিল, নির্বাচনে দেশ জাগ্রত

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • পোষ্টের সময় : ০৬:১৮:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৬৪ ভিউ :

 

দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও নানা আলোচনার পর অবশেষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা শুরু করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া যাত্রা শুরু করেছে। রাজনৈতিক দল থেকে সাধারণ ভোটার—সবাই নির্বাচনী পরিবেশে প্রবেশ করল নতুন উদ্দীপনায়।

 

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে একযোগে প্রচারিত সিইসির ভাষণ থেকেই তফসিল ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের মতে, ভাষণে সিইসি ভোটের তারিখ, মনোনয়ন জমা, যাচাই-বাছাই এবং প্রতীক বরাদ্দসহ পুরো সময়সূচি তুলে ধরেন, যা জাতীয় নির্বাচনের সাংবিধানিক ধাপকে সক্রিয় করে।

 

সিইসি তার ভাষণে চূড়ান্ত ভোটগ্রহণের তারিখ হিসেবে ঘোষণা করেন ১২ ফেব্রুয়ারি, যা দেশের প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের জন্য গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের দিন হিসেবে চিহ্নিত হলো। এই দিনকে সামনে রেখে জাতীয় রাজনীতির মাঠ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠবে বলেও অনেকে মনে করছেন।

 

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে। এরপর শুরু হবে কঠোর যাচাই-বাছাই, যা স্বচ্ছ ও নির্ভুল নির্বাচন আয়োজনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। মনোনয়ন প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময় শেষে প্রার্থীদের মাঝে নির্বাচন প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। প্রতীক পাওয়ার পরেই প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণায় নামতে পারবেন—জনসংযোগ, ইশতেহার প্রকাশ ও প্রতিশ্রুতি জানানো শুরু হবে এই সময় থেকেই।

 

ইসি জানায়, তফসিল ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো চিহ্নিত করে নিরাপত্তা জোরদারের পরিকল্পনাও প্রাথমিকভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত থাকবে কমিশন।

 

ইতোমধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ও কেন্দ্রের সংখ্যা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রায় ১২ কোটি ৭৬ লাখ ভোটারের জন্য ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্রে প্রস্তুতি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানায় ইসি।

 

তফসিল ঘোষণার পরপরই রাজনৈতিক দলগুলোর তৎপরতা চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ নিবন্ধিত দলগুলো বিভিন্ন আসনে পোস্টার, ব্যানার ও প্রচারণার উপকরণ ছড়িয়ে দিচ্ছে। বিভিন্ন দল নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হওয়ার প্রস্তুতি আরও জোরদার করছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

ভ্রমণ ও বিদেশযাত্রা সহজ করতে হালুয়াঘাটে আল-এহসান ট্রাভেলসের উদ্বোধন

15 August 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

অবশেষে ঘোষিত তফসিল, নির্বাচনে দেশ জাগ্রত

পোষ্টের সময় : ০৬:১৮:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

 

দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও নানা আলোচনার পর অবশেষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা শুরু করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া যাত্রা শুরু করেছে। রাজনৈতিক দল থেকে সাধারণ ভোটার—সবাই নির্বাচনী পরিবেশে প্রবেশ করল নতুন উদ্দীপনায়।

 

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে একযোগে প্রচারিত সিইসির ভাষণ থেকেই তফসিল ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের মতে, ভাষণে সিইসি ভোটের তারিখ, মনোনয়ন জমা, যাচাই-বাছাই এবং প্রতীক বরাদ্দসহ পুরো সময়সূচি তুলে ধরেন, যা জাতীয় নির্বাচনের সাংবিধানিক ধাপকে সক্রিয় করে।

 

সিইসি তার ভাষণে চূড়ান্ত ভোটগ্রহণের তারিখ হিসেবে ঘোষণা করেন ১২ ফেব্রুয়ারি, যা দেশের প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের জন্য গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের দিন হিসেবে চিহ্নিত হলো। এই দিনকে সামনে রেখে জাতীয় রাজনীতির মাঠ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠবে বলেও অনেকে মনে করছেন।

 

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে। এরপর শুরু হবে কঠোর যাচাই-বাছাই, যা স্বচ্ছ ও নির্ভুল নির্বাচন আয়োজনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। মনোনয়ন প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময় শেষে প্রার্থীদের মাঝে নির্বাচন প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। প্রতীক পাওয়ার পরেই প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণায় নামতে পারবেন—জনসংযোগ, ইশতেহার প্রকাশ ও প্রতিশ্রুতি জানানো শুরু হবে এই সময় থেকেই।

 

ইসি জানায়, তফসিল ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো চিহ্নিত করে নিরাপত্তা জোরদারের পরিকল্পনাও প্রাথমিকভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত থাকবে কমিশন।

 

ইতোমধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ও কেন্দ্রের সংখ্যা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রায় ১২ কোটি ৭৬ লাখ ভোটারের জন্য ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্রে প্রস্তুতি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানায় ইসি।

 

তফসিল ঘোষণার পরপরই রাজনৈতিক দলগুলোর তৎপরতা চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ নিবন্ধিত দলগুলো বিভিন্ন আসনে পোস্টার, ব্যানার ও প্রচারণার উপকরণ ছড়িয়ে দিচ্ছে। বিভিন্ন দল নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হওয়ার প্রস্তুতি আরও জোরদার করছে।

 

Share this news as a Photo Card