০৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ও এখন আমার পা চাটছে’ সৌদি বাদশাহকে নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

 

ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের (Middle East Conflict) এক মাস পূর্ণ হওয়ার আবহে সৌদি যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমনকে (Mohammed bin Salman) নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ফ্লোরিডায় সৌদি সমর্থিত একটি বিনিয়োগ সম্মেলনে বক্তব্য রাখার সময় ট্রাম্প দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সৌদি যুবরাজ কার্যত তাঁর ‘পা চাটছেন’ (Kissing my a**)।

 

ট্রাম্পের দাবি, এক বছর আগে আমেরিকার যে অবস্থা ছিল, তা থেকে এমন শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন সৌদি আরব আশা করেনি। যুবরাজের কথা উদ্ধৃত করে ট্রাম্প বলেন, “তিনি (বিন সলমন) আমাকে বলেছিলেন, জানো, এটা আশ্চর্যজনক! এক বছর আগে তোমরা একটা মৃত দেশ ছিলে। আর এখন তোমরাই বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় দেশ।”

 

ট্রাম্প আরও একধাপ এগিয়ে ঠাট্টার ছলে বলেন, “তিনি (যুবরাজ) ভাবতেও পারেননি যে তাঁকে এভাবে আমার তোষামোদ করতে হবে। তিনি ভেবেছিলেন আমি হয়তো অন্য কোনো পরাজিত মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতো হব। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে, এখন তাঁকে আমার প্রতি সদয় হতেই হবে।” তবে পরক্ষণেই সুর নরম করে যুবরাজকে একজন ‘দুর্দান্ত মানুষ’ এবং ‘যোদ্ধা’ হিসেবে প্রশংসা করেন ট্রাম্প।

 

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলোর সমর্থনের ভূয়সী প্রশংসা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, “সৌদি আরব লড়েছে, কাতার লড়েছে, ইউএই, বাহরাইন এবং কুয়েত—সবাই আমাদের পাশে ছিল।” উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১২টিরও বেশি দেশে প্রায় ৪৫০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১৯০০ জনই ইরানের।

 

রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলো ওয়াশিংটনকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তেহরানের সঙ্গে যেকোনো চুক্তি যেন কেবল যুদ্ধবিরতিতেই সীমাবদ্ধ না থাকে। তাদের দাবি, ইরানের মিসাইল ও ড্রোন তৈরির ক্ষমতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহকে যেন ইরান আর কখনো ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। তেল আমদানির পথ এবং বেসামরিক সম্পত্তির ওপর হামলা চিরতরে বন্ধের গ্যারান্টি দিতে হবে। বেসরকারি বৈঠকগুলোতে এই দেশগুলো জানিয়েছে, ইরান তাদের জন্য কূটনীতির কোনো পথ খোলা রাখেনি, তাই এবার কঠোর ও কার্যকর চুক্তির প্রয়োজন।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে বিএনপি: মোতাহার

মদনে ‘আমার দেশ’ পত্রিকার সাংবাদিকের ওপর হামলা, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি

28 September 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

‘ও এখন আমার পা চাটছে’ সৌদি বাদশাহকে নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

পোষ্টের সময় : ১০:১৩:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

 

ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের (Middle East Conflict) এক মাস পূর্ণ হওয়ার আবহে সৌদি যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমনকে (Mohammed bin Salman) নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ফ্লোরিডায় সৌদি সমর্থিত একটি বিনিয়োগ সম্মেলনে বক্তব্য রাখার সময় ট্রাম্প দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সৌদি যুবরাজ কার্যত তাঁর ‘পা চাটছেন’ (Kissing my a**)।

 

ট্রাম্পের দাবি, এক বছর আগে আমেরিকার যে অবস্থা ছিল, তা থেকে এমন শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন সৌদি আরব আশা করেনি। যুবরাজের কথা উদ্ধৃত করে ট্রাম্প বলেন, “তিনি (বিন সলমন) আমাকে বলেছিলেন, জানো, এটা আশ্চর্যজনক! এক বছর আগে তোমরা একটা মৃত দেশ ছিলে। আর এখন তোমরাই বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় দেশ।”

 

ট্রাম্প আরও একধাপ এগিয়ে ঠাট্টার ছলে বলেন, “তিনি (যুবরাজ) ভাবতেও পারেননি যে তাঁকে এভাবে আমার তোষামোদ করতে হবে। তিনি ভেবেছিলেন আমি হয়তো অন্য কোনো পরাজিত মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতো হব। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে, এখন তাঁকে আমার প্রতি সদয় হতেই হবে।” তবে পরক্ষণেই সুর নরম করে যুবরাজকে একজন ‘দুর্দান্ত মানুষ’ এবং ‘যোদ্ধা’ হিসেবে প্রশংসা করেন ট্রাম্প।

 

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলোর সমর্থনের ভূয়সী প্রশংসা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, “সৌদি আরব লড়েছে, কাতার লড়েছে, ইউএই, বাহরাইন এবং কুয়েত—সবাই আমাদের পাশে ছিল।” উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১২টিরও বেশি দেশে প্রায় ৪৫০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১৯০০ জনই ইরানের।

 

রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলো ওয়াশিংটনকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তেহরানের সঙ্গে যেকোনো চুক্তি যেন কেবল যুদ্ধবিরতিতেই সীমাবদ্ধ না থাকে। তাদের দাবি, ইরানের মিসাইল ও ড্রোন তৈরির ক্ষমতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহকে যেন ইরান আর কখনো ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। তেল আমদানির পথ এবং বেসামরিক সম্পত্তির ওপর হামলা চিরতরে বন্ধের গ্যারান্টি দিতে হবে। বেসরকারি বৈঠকগুলোতে এই দেশগুলো জানিয়েছে, ইরান তাদের জন্য কূটনীতির কোনো পথ খোলা রাখেনি, তাই এবার কঠোর ও কার্যকর চুক্তির প্রয়োজন।

 

Share this news as a Photo Card