ঢাকা ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি নতুন দিশা খুঁজছে, যেখানে দুই দেশ নিজেদের ভবিষ্যৎ ভাগাভাগি করে নিতে পারবে। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ রিয়াজ হামিদুল্লাহ বুধবার কলকাতার মার্চেন্টস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) আয়োজিত একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশনে এ মন্তব্য করেন।
হাইকমিশনার বলেন, “নতুন প্রেক্ষাপট তৈরি করা সহজ কাজ নয়, তবে এটি সম্ভব। আমাদের মধ্যে কিছু ভিন্নমত ও সংবেদনশীল বিষয় থাকলেও এটাই স্বাভাবিক। যদি আমরা সম্পর্কের কেবল একটি দিকের উপর মনোযোগ দিই, তাহলে পুরো বিষয়টির সঠিক বিচার হবে না।”
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং দুই দেশ দ্রুত উন্নয়ন করছে। বর্তমানে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পৃক্তি ২,৫০০ কোটি ডলারের বেশি। বিশেষ করে বাংলাদেশের আমদানিকাঠামো, বন্দর ও লজিস্টিক খাতে নতুন সক্ষমতার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে, যা ভবিষ্যতের সম্পর্কের দিকনির্দেশনা বোঝাতে সহায়ক।
হাইকমিশনার আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকদের চলাচলে কোনো কঠোর বিধিনিষেধ নেই। দুই দেশের মানুষ পারস্পরিক নির্ভরশীলতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখছে। এছাড়া দুই দেশের বাণিজ্য গত বছর প্রায় ১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভবিষ্যতের সাংস্কৃতিক ও পর্যটন উদ্যোগ নিয়েও হাইকমিশনার আশাবাদী। তিনি জানান, আগামী বছর দিল্লিতে একটি বাংলা চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন হবে। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশে তাঁদের পূর্বপুরুষদের ভিটেবাড়ি পরিদর্শনের সুযোগ সম্প্রসারণের প্রস্তাব এসেছে।
সম্পর্কের এই নতুন দিকনির্দেশনার মাধ্যমে ঢাকা ও দিল্লি একসঙ্গে অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং নাগরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আরও দৃঢ় সমন্বয় স্থাপন করতে চায়।
স্টাফ রিপোর্টার 























