ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের সময়সূচি যেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়ের সঙ্গে না সংঘর্ষ করে, সেই বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে বিশেষ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানান, কমিশন ইতোমধ্যেই নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন আয়োজনের জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
প্রসঙ্গত, সাধারণত এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতো। তবে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন এসেছে। চলতি বছরে এই পরীক্ষা এপ্রিলে সম্পন্ন হয়েছে। এ কারণেই নির্বাচন কমিশন সচিব এমন সতর্কতা প্রদান করেছেন, যাতে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের সময়সূচি পরীক্ষার সঙ্গে মিলিত না হয়।
এদিন নির্বাচন ভবনে আগারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। সভায় চারজন নির্বাচন কমিশনার ছাড়াও স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, শিক্ষা, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, বিদ্যুৎ সরবরাহ, স্বাস্থ্য সেবা, বাজেট ব্যবস্থাপনা এবং ভোটকেন্দ্রের লজিস্টিকস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সচিব আখতার আহমেদ বলেন, কেন্দ্রগুলোর প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করতে এবং পর্যাপ্ত রাস্তাপথের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফেব্রুয়ারিতে আবহাওয়া অনুকূল থাকলেও নির্বাচন-সম্পর্কিত সকল অবকাঠামো ও প্রস্তুতি আগেভাগেই সম্পন্ন করা উচিত। এটি ভোটার ও প্রশাসনিক সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
নির্বাচন কমিশনের এ সতর্ক বার্তায় ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, যদি নির্বাচনের সময়সূচি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা একই সময়ে পড়ে, তবে শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য প্রয়োজন হলে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
স্টাফ রিপোর্টার 


























