ওমানে গাড়ির ভেতরে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে একসঙ্গে মারা যাওয়া আপন চার ভাইয়ের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। বুধবার (২০ মে) সকালে চার প্রবাসীর মরদেহ চট্টগ্রামে পৌঁছায়।
তার আগে মঙ্গলবার রাত ৮টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তাদের কফিনবন্দি মরদেহ ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে।
বিমানবন্দরে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেন চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী।
এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে দ্রুততম সময়ে মরদেহ দেশে আনায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূমিকার প্রশংসা করেন চট্টগ্রামের এই সংসদ সদস্য। এ সময় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মরদেহ পরিবহন ও দাফনের জন্য জনপ্রতি ৩৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
বুধবার বেলা ১১টায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে চার ভাইকে দাফন করা হবে।
গত ১৩ মে রাতে ওমানের আল মুলাদ্দাহ, আল মোছানা স্টেট অব আল বাতিনাহ এলাকায় গাড়ির এসির বিষাক্ত গ্যাসে একই পরিবারের চার প্রবাসী ভাইয়ের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন- চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দারাজারপাড়া এলাকার বাসিন্দা রাশেদুল ইসলাম, সাহেদুল ইসলাম, মো. সিরাজ ও মো. শহীদ। তারা আপন ভাই। সবাই ওমানে কর্মরত ছিলেন।
বড় ভাই মো. রাশেদ (৩৫) বিবাহিত, তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। মো. শাহেদ (৩২) বিবাহিত, ছোট দুই ভাই মো. সিরাজ (২৭) ও মো. শহিদ (২৪) দেশে এসে বিয়ে করার কথা ছিল। এজন্য তারা কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন। ১৩ মে রাতের ফ্লাইটে তারা দেশে ফিরতেন।
রয়্যাল ওমান পুলিশ তদন্তে নেমে জানায়, গাড়ি চালু রেখে ঘুমিয়ে পড়ায় এসির এগজস্ট থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসে শ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যান চার ভাই।
স্টাফ রিপোর্টার 
























