০৪:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাকৃবির গবেষক ও অধ্যাপক ড. রোখসানা পারভীনের উদ্ভাবিত এলএসডি রোগের চিকিৎসা নির্দেশনা ডিএলএসে হস্তান্তর

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • পোষ্টের সময় : ১০:৪০:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩৬৪ ভিউ :

 

প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে তৈরি হওয়া লাম্পি স্কিন ডিজিজের (এলএসডি) সম্পূর্ণ চিকিৎসা নির্দেশনা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (ডিএলএস) নিকট হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) প্যাথলজি বিভাগ।

 

গতকাল বুধবার  (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন “ইনভেস্টিগেশন অব লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) অ্যাফেক্টেড হার্ডস অ্যান্ড ফরম্যুলেশনস অব কন্ট্রোল স্ট্র্যাটেজিস” প্রকল্পের প্রধান গবেষক বাকৃবির প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. রোখসানা পারভীন। ওই প্রকল্প থেকেই চিকিৎসা নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে বলে জানান অধ্যাপক ড. রোখসানা পারভীন।

 

তিনি প্রকল্পের লক্ষ্য ও অর্জন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পাশাপাশি এলএসডি প্রতিকার ও প্রতিরোধে গৃহীত কৌশলসমূহ তুলে ধরেন।

 

তিনি বলেন, গতকাল মঙ্গলবার এলএসডি প্রতিরোধে চিকিৎসা নির্দেশনা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব নির্দেশনা বাস্তবায়িত হলে মাঠপর্যায়ে এলএসডি নিয়ন্ত্রণে টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং গবাদিপশু খাতে অর্থনৈতিক ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে আমরা আশাবাদী।

 

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ানের সাথে যোগাযোগ করা হলে লাম্পি স্কিন ডিজিজ রোগটি ছয় বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশে বিদ্যমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, গবেষণার ক্ষেত্রে শুরুতে আমরা কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও বর্তমানে এ বিষয়ে দ্রুত অগ্রগতি হচ্ছে। তবে গত কয়েক বছর ধরে রোগটি আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাসটির বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন আসছে, যার ফলে আক্রান্ত পশুর মৃত্যুহারও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

তিনি জানান, বর্তমানে মহাখালীর প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান (এলআরআই) টিকা উৎপাদনের মাধ্যমে রোগটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তবে বিদ্যমান উৎপাদন সক্ষমতা এখনও মাঠপর্যায়ের সামগ্রিক চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয়।

 

তিনি আরও বলেন, এলএসডি একটি ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় কেবল প্রতিরোধ নয়, আক্রান্ত পশুর যথাযথ চিকিৎসাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য একটি সুস্পষ্ট ও বাস্তবভিত্তিক চিকিৎসা নির্দেশনার প্রয়োজন ছিল, যা আমরা হাতে পেয়েছি। নতুন এই নির্দেশনাটি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পূর্ববর্তী নির্দেশনাকে আরও সমৃদ্ধ, কার্যকর ও সময়োপযোগী করে তুলবে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

সরকারের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে: প্রিন্স

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হালুয়াঘাটের গ্রাম পরিদর্শনে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান প্রিন্স

22 September 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

বাকৃবির গবেষক ও অধ্যাপক ড. রোখসানা পারভীনের উদ্ভাবিত এলএসডি রোগের চিকিৎসা নির্দেশনা ডিএলএসে হস্তান্তর

পোষ্টের সময় : ১০:৪০:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

 

প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে তৈরি হওয়া লাম্পি স্কিন ডিজিজের (এলএসডি) সম্পূর্ণ চিকিৎসা নির্দেশনা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (ডিএলএস) নিকট হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) প্যাথলজি বিভাগ।

 

গতকাল বুধবার  (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন “ইনভেস্টিগেশন অব লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) অ্যাফেক্টেড হার্ডস অ্যান্ড ফরম্যুলেশনস অব কন্ট্রোল স্ট্র্যাটেজিস” প্রকল্পের প্রধান গবেষক বাকৃবির প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. রোখসানা পারভীন। ওই প্রকল্প থেকেই চিকিৎসা নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে বলে জানান অধ্যাপক ড. রোখসানা পারভীন।

 

তিনি প্রকল্পের লক্ষ্য ও অর্জন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পাশাপাশি এলএসডি প্রতিকার ও প্রতিরোধে গৃহীত কৌশলসমূহ তুলে ধরেন।

 

তিনি বলেন, গতকাল মঙ্গলবার এলএসডি প্রতিরোধে চিকিৎসা নির্দেশনা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব নির্দেশনা বাস্তবায়িত হলে মাঠপর্যায়ে এলএসডি নিয়ন্ত্রণে টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং গবাদিপশু খাতে অর্থনৈতিক ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে আমরা আশাবাদী।

 

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ানের সাথে যোগাযোগ করা হলে লাম্পি স্কিন ডিজিজ রোগটি ছয় বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশে বিদ্যমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, গবেষণার ক্ষেত্রে শুরুতে আমরা কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও বর্তমানে এ বিষয়ে দ্রুত অগ্রগতি হচ্ছে। তবে গত কয়েক বছর ধরে রোগটি আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাসটির বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন আসছে, যার ফলে আক্রান্ত পশুর মৃত্যুহারও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

তিনি জানান, বর্তমানে মহাখালীর প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান (এলআরআই) টিকা উৎপাদনের মাধ্যমে রোগটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তবে বিদ্যমান উৎপাদন সক্ষমতা এখনও মাঠপর্যায়ের সামগ্রিক চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয়।

 

তিনি আরও বলেন, এলএসডি একটি ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় কেবল প্রতিরোধ নয়, আক্রান্ত পশুর যথাযথ চিকিৎসাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য একটি সুস্পষ্ট ও বাস্তবভিত্তিক চিকিৎসা নির্দেশনার প্রয়োজন ছিল, যা আমরা হাতে পেয়েছি। নতুন এই নির্দেশনাটি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পূর্ববর্তী নির্দেশনাকে আরও সমৃদ্ধ, কার্যকর ও সময়োপযোগী করে তুলবে।

 

Share this news as a Photo Card