গাজা ইস্যুতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে আবারও নতুন খসড়া প্রস্তাব ভোটে ওঠার কথা রয়েছে আগামী বৃহস্পতিবার। প্রস্তাবটিতে তিনটি মূল দাবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে—গাজায় অবিলম্বে ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, মানবিক সহায়তা নির্বিঘ্ন প্রবেশ নিশ্চিত করা এবং সব জিম্মির শর্তহীন মুক্তি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বহু দেশ প্রস্তাবটির পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কূটনৈতিক চাপ ক্রমশ বাড়ছে।
অতীতে অনুরূপ খসড়া প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো ক্ষমতার কারণে স্থগিত বা বাতিল হয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনিদের মানবিক সংকট এবং যুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ফলে অধিকাংশ সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থন এবার যুক্তরাষ্ট্রকে কঠিন অবস্থায় ফেলেছে।
অন্যদিকে জাতিসংঘের একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগ করেছে, ইসরায়েল ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ধারাবাহিকভাবে গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে এবং ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। এই প্রতিবেদনের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সমালোচনার মাত্রা আরও বেড়েছে।
গাজায় চলমান সংঘাতের কারণে লাখো মানুষ মানবিক বিপর্যয়ে পড়েছে। খাদ্য, পানি, চিকিৎসা ও আশ্রয়ের অভাবে তারা চরম সংকটে রয়েছে। জাতিসংঘের নতুন প্রস্তাবটি পাস হলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত হওয়ার আশা করা হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানই এই প্রস্তাবের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।
স্টাফ রিপোর্টার 
























