০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাকরিপ্রার্থীর কাশিতে ধরা পড়ল জালিয়াতি চক্র

 

জেলা শহরের কসবা এলাকায় শনিবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে কেরী মেমোরিয়াল হাইস্কুলে অনুষ্ঠিত খাদ্য অধিদপ্তরের ‘উপখাদ্য পরিদর্শক’ পদের পরীক্ষার হলে এক চাকরিপ্রার্থী বারবার কাশি দিয়ে ধরা পড়েছেন। পরীক্ষার্থী কৃষ্ণকান্ত রায়-এর স্যান্ডো গেঞ্জি ও কানের ভিতরে থাকা দুটি বিশেষ ডিভাইসের মাধ্যমে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসের চেষ্টা করছিলেন।

 

পুলিশ জানায়, পরীক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল ঢাকার একটি চক্রের সঙ্গে। চক্রটি তাকে নির্দেশ দিয়েছিল, যদি প্রশ্নপত্রের সেট ‘পদ্মা’ হয়, তখন কাশি দিতে হবে। অসাবধানতাবশত বারবার কাশি দেওয়ার কারণে তিনি ধরা পড়েন।

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাদের কাছে আগেই তথ্য ছিল যে কেউ ডিভাইস ব্যবহার করছে, তবে কোন কক্ষে তা অজানা ছিল। সন্দেহ হলে তাকে তল্লাশি করা হয় এবং ডিভাইস উদ্ধার করা হয়।’

 

এক নাম প্রকাশ না করা পরীক্ষার্থী দাবি করেছেন, দিনাজপুরের বিভিন্ন কেন্দ্রের অন্তত ৫৫ জন পরীক্ষার্থী ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা দিয়েছেন। প্রতি পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে চক্রটি দেড় থেকে দুই লাখ টাকা নিয়েছে। চক্রটি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে দ্রুত উত্তর পাঠায় এবং ছাত্রাবাসে কোচিং সেন্টারের কয়েকজন শিক্ষক সেগুলো প্রস্তুত করে।

 

দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এস এম হাবিবুল হাসান জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অন্যদের শনাক্ত করতে পুলিশ অভিযান চালানো হচ্ছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

ক্যাঙ্গারুদের হারিয়ে ইতিহাস লিখলো টাইগাররা

16 August 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

চাকরিপ্রার্থীর কাশিতে ধরা পড়ল জালিয়াতি চক্র

পোষ্টের সময় : ০২:০৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

 

জেলা শহরের কসবা এলাকায় শনিবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে কেরী মেমোরিয়াল হাইস্কুলে অনুষ্ঠিত খাদ্য অধিদপ্তরের ‘উপখাদ্য পরিদর্শক’ পদের পরীক্ষার হলে এক চাকরিপ্রার্থী বারবার কাশি দিয়ে ধরা পড়েছেন। পরীক্ষার্থী কৃষ্ণকান্ত রায়-এর স্যান্ডো গেঞ্জি ও কানের ভিতরে থাকা দুটি বিশেষ ডিভাইসের মাধ্যমে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসের চেষ্টা করছিলেন।

 

পুলিশ জানায়, পরীক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল ঢাকার একটি চক্রের সঙ্গে। চক্রটি তাকে নির্দেশ দিয়েছিল, যদি প্রশ্নপত্রের সেট ‘পদ্মা’ হয়, তখন কাশি দিতে হবে। অসাবধানতাবশত বারবার কাশি দেওয়ার কারণে তিনি ধরা পড়েন।

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাদের কাছে আগেই তথ্য ছিল যে কেউ ডিভাইস ব্যবহার করছে, তবে কোন কক্ষে তা অজানা ছিল। সন্দেহ হলে তাকে তল্লাশি করা হয় এবং ডিভাইস উদ্ধার করা হয়।’

 

এক নাম প্রকাশ না করা পরীক্ষার্থী দাবি করেছেন, দিনাজপুরের বিভিন্ন কেন্দ্রের অন্তত ৫৫ জন পরীক্ষার্থী ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা দিয়েছেন। প্রতি পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে চক্রটি দেড় থেকে দুই লাখ টাকা নিয়েছে। চক্রটি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে দ্রুত উত্তর পাঠায় এবং ছাত্রাবাসে কোচিং সেন্টারের কয়েকজন শিক্ষক সেগুলো প্রস্তুত করে।

 

দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এস এম হাবিবুল হাসান জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অন্যদের শনাক্ত করতে পুলিশ অভিযান চালানো হচ্ছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Share this news as a Photo Card